উত্তরবঙ্গে আগামী কয়েক দিন হালকা বৃষ্টি চলতে পারে বিক্ষিপ্ত ভাবে, যদিও আপাতত কোনও সতর্কতা জারি করেনি আবহাওয়া দফতর।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 11 October 2025 10:16
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঘূর্ণাবর্তের চাপে জেরবার মানুষ। দফায় দফায় বৃষ্টি হচ্ছে রাজ্য জুড়ে। পুজোতেও মেলেনি রেহাই। তারপরও জারি রয়েছে আবহাওয়ার খামখেয়ালি ভাব। এই বৃষ্টি থামবেই বা কবে?
তবে, আশার খবর শোনাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। রবিবার থেকেই আস্তে আস্তে বিদায় নিতে চলেছে মৌসুমী বায়ু। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস বলছে, ১২ অক্টোবর উত্তরবঙ্গ এবং ১৮ অক্টোবরের মধ্যে দক্ষিণবঙ্গ থেকেও বর্ষা বিদায়ের পথ একেবারে পরিষ্কার হয়ে যাবে।
তবে বিদায়ের আগে আর রাজ্যে অতি ভারী বৃষ্টি ঘটানোর মতো শক্তি থাকবে না মৌসুমী বায়ুর, জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। যদিও বঙ্গোপসাগরের উপরে তৈরি হওয়া দুটি ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে যে বিপুল জলীয় বাষ্প তৈরি হয়েছিল, তার প্রভাব এখনও রয়ে গিয়েছে। সেই কারণেই শনিবার দক্ষিণবঙ্গের আট জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে শুক্রবারের তুলনায় বৃষ্টির পরিমাণ অনেকটাই কমবে বলে জানাচ্ছেন আবহবিদরা। আগামী মঙ্গলবারের পর থেকেই আবহাওয়ার পরিবর্তন দেখা দিতে পারে কলকাতায়— ভোরের দিকে থাকবে শুষ্ক হাওয়া। যদিও দিন ও রাতের তাপমাত্রার তফাৎ আপাতত খুব একটা বাড়বে না।
আজও আকাশ থাকবে বেশ মেঘলা। দক্ষিণবঙ্গের নানা জেলায় বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বা বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বৃষ্টি হবে না সব এলাকায়। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, হাওড়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে, সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। এই পাঁচ জেলায় জারি হয়েছে হলুদ সতর্কতা।
উত্তরবঙ্গে আগামী কয়েক দিন হালকা বৃষ্টি চলতে পারে বিক্ষিপ্ত ভাবে, যদিও আপাতত কোনও সতর্কতা জারি করেনি আবহাওয়া দফতর।
বর্তমানে দুটি ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে—একটি দক্ষিণ বাংলাদেশের উপর, অন্যটি উত্তর ওড়িশার উপরে। এই দুটি ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবেই অন্তত শনিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। সেই সঙ্গে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া।