Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
TB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কা

পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটি

পরপর দু’বার চাকরি হারানোর পর ভেঙে না পড়ে নিজের প্যাশনকে পেশা করলেন জিশান বাখরানি। নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটনে শুরু করেন ফিউশন খাবারের রেস্তরাঁ। বর্তমানে মাসে আয় ১.৩ কোটি টাকার কাছাকাছি! 

পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটি

‘নিশানে’র মেনু

গার্গী দাস

শেষ আপডেট: 14 April 2026 18:48

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দু’বার চাকরি হারিয়ে ভেঙে পড়েননি বরং নিজের প্যাশনকে পুঁজি করেছেন—এখন মাসে আয় দেড় কোটির কাছাকাছি। নিউ ইয়র্কে বসে এমনই নজির গড়েছেন ৩৪ বছরের জিশান বাখরানি।

একসময় প্রোডাক্ট ম্যানেজার হিসেবে কাজ করতেন কিন্তু পরপর দু’বার ছাঁটাইয়ের পর একই পথে আর হাঁটেননি। বরং ফিরে গিয়েছেন সেই জায়গায়, যেটা সবসময় তাঁর ভাল লাগার। ২০২৫ সালের অগস্টে নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটনে শুরু করেন ‘নিশান’। নিজের সঞ্চয় থেকে প্রায় ৬৫ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করে শুরু হয় খাবারের ব্যবসা।

এই সিদ্ধান্ত হঠাৎ নয়। প্রযুক্তি সংস্থায় কাজ করার পাশাপাশি বহু বছর ধরেই সপ্তাহান্তে ফুড পপ-আপ করতেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতাই বড় করে ভাবার সাহস দেয়। চাকরি হারানোর পর সেটা হয়ে ওঠে নতুন সুযোগ।

‘নিশানে’র মেনুতে রয়েছে তাঁর জীবনের গল্প। পাকিস্তানি স্টাইলের চপড চিজ, বিহারি ঢঙে তৈরি টাকো, বাফেলো তন্দুরি চিকেন স্যান্ডউইচ—সবেতেই মিশে আছে দুই সংস্কৃতির স্বাদ। শৈশবে শিকাগোয় বড় হওয়া জিশান দেখেছেন, তাঁর মা কীভাবে সাধারণ খাবারে জিরে, ধনে, লঙ্কার মতো মশলা মিশিয়ে নতুন স্বাদ আনতেন। সেই থেকেই মাথায় আসে দুই জগতের মেলবন্ধনের ভাবনা।

তিনি একই সঙ্গে পাকিস্তানি ও আমেরিকান—তাই খাবারেও সেই পরিচয় ফুটে ওঠা স্বাভাবিক। বাড়িতে বসেই নানা পরীক্ষানিরীক্ষা করতেন—কখনও টরটিয়ার বদলে পরোটা, কখনও বার্গারে চাটনি। সেই ছোট ছোট পরীক্ষাই আজ বড় ব্যবসার রূপ নিয়েছে।

শুরুর দিকে মাসে আয় ছিল প্রায় ৫৩ লক্ষ টাকার মতো। এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১.৩ কোটি টাকায়। অর্থাৎ, ক্রেতাদের সাড়া মিলছে জোরদারভাবেই।

তবে এই সাফল্যের জন্য পরিশ্রমও কম নয়। দীর্ঘ মিটিং বা কর্পোরেট অনুমোদনের অপেক্ষা নেই এখন। বরং দিনে প্রায় ১৪ ঘণ্টা রান্নাঘরেই কাটান তিনি। কিন্তু তাতেই সন্তুষ্ট জিশান। কারণ, নিজের পছন্দের কাজ করেই তিনি তৈরি করেছেন নতুন জীবন।

চাকরি হারানো যেখানে অনেকের কাছে শেষ, সেখানে জিশান বাখরানির গল্প দেখাচ্ছে—সঠিক সময়ে ঝুঁকি নিলে সেটাই হতে পারে এক নতুন শুরুর দরজা।


```