নির্বাচন কমিশনের একটি হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার সূত্র ধরে ঝাড়খণ্ড ও নেপাল সীমান্ত দিয়ে বাংলায় টাকা ঢোকার অভিযোগ তুললেন ব্রাত্য বসু। বিজেপি শাসিত রাজ্যে কেন টাকা আটকানো হচ্ছে না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। বিজেপি যেমন তালিকা তৈরি করছে, রাজ্য প্রশাসনও একইভাবে 'বেঙ্গল ক্যাডার'-এর আধিকারিকদের তালিকা তৈরি রাখছে বলে দাবি করেন তিনি।

ব্রাত্য বসু
শেষ আপডেট: 14 April 2026 18:06
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election 2026) প্রাক্কালে কমিশনের এক হোয়াটসঅ্যাপ বার্তাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। এবার সেই সূত্র ধরেই নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি পুলিশ ও প্রশাসনিক আধিকারিকদের রীতিমতো হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ব্রাত্য বসু (Bratya Basu)। তাঁর সাফ কথা, "তৃণমূল নেত্রীর (Mamata Banerjee) ভালোবাসা মানেই দুর্বলতা নয়।"
ব্রাত্য বসুর দাবি, নির্বাচন কমিশনের একটি হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে যে, ঝাড়খণ্ড থেকে মানবাজার ও বান্দোয়ান হয়ে এবং নেপাল থেকে ইসলামপুর হয়ে বিপুল পরিমাণ টাকা পশ্চিমবঙ্গে ঢুকতে পারে। এই তথ্য সামনে আসতেই বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। ব্রাত্যবাবুর অভিযোগ যেসব রাস্তা দিয়ে টাকা ঢোকার কথা বলা হচ্ছে, তার সিংহভাগই বিজেপি শাসিত রাজ্যের সীমানা ছুঁয়ে। যদি কমিশনের কাছে আগাম খবর থাকেই, তবে সেই রাজ্যগুলিতে কেন টাকা আটকানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে না?
মন্ত্রীর কথায়, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অত্যন্ত স্নেহশীল এবং ক্ষমাপ্রবণ মানুষ। কিন্তু সেই ভালোবাসাকে কেউ যেন দুর্বলতা হিসেবে না দেখেন। প্রশাসনের কর্তারা যেন নিরপেক্ষভাবে কাজ করেন, সেই বার্তাই এদিন স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি।