পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে টানাপড়েন চলছিল। দেবপ্রিয়ার মা মঞ্জুলা ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, তাঁর মেয়ে স্থানীয় এক যুবকের পরিচিত ছিল। সেই সম্পর্ক নিয়েই স্বামীর সঙ্গে ক্রমাগত অশান্তি বাড়ে।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 16 June 2025 13:59
দ্য ওয়াল ব্য়ুরো, হুগলি: চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের ট্রাফিক বিভাগের এক অস্থায়ী কর্মীর অস্বাভাবিক মৃত্যুতে শোরগোল পড়ল চুঁচুড়ায়। পুলিশসূত্রে খবর, ওই কর্মীর নাম দেবপ্রিয়া শেঠ (৩৪)। রবিবার রাতে চুঁচুড়া পুরসভার ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের গড়বাটি রাজরাজেশ্বরীতলায় দেবপ্রিয়ার বাপের বাড়ি থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ মেলে।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে টানাপড়েন চলছিল। দেবপ্রিয়ার মা মঞ্জুলা ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, তাঁর মেয়ে স্থানীয় এক যুবকের পরিচিত ছিল। সেই সম্পর্ক নিয়েই স্বামীর সঙ্গে ক্রমাগত অশান্তি বাড়ে। তাঁদের মেয়েও মায়ের বিরুদ্ধে বাবাকে নানা কথা বলে দিত বলে অভিযোগ।
পরিবারের দাবি, এই কারণেই দেবপ্রিয়া মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। সম্প্রতি স্বামী ওই যুবকের বাড়িতে গিয়ে অশান্তিও করেন। দেবপ্রিয়ার ডায়রিতে লেখা একটি সুইসাইড নোটে স্বামী ও মেয়েকে নিজের মৃত্যুর জন্য দায়ী করেন বলে পরিবার জানিয়েছে। তবে দেবপ্রিয়ার মা বলেন, “আমরা কোনও মামলা করব না। ওর মেয়ে বাবার কাছেই থাকবে বলেছে। আমরা আর ক’দিন আছি।”
ঘটনার পর ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সৌমিত্র ঘোষ জানান, “দেবপ্রিয়া একজন ট্রাফিক হোম গার্ড হিসেবে কাজ করতেন। পারিবারিক অশান্তির জেরে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানতে পেরেছি। সুইসাইড নোট পাওয়া গিয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।” চন্দননগর কমিশনারেটের তরফে এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।