নববর্ষের দুপুরে বাঙালির পাতে আম-পোস্ত বড়া আর ঢাকাই কালো ভুনা! ১৪ ও ১৫ এপ্রিল দেশপ্রিয় পার্কের ‘চৌধুরী অ্যান্ড কোম্পানি’-তে মিলবে ঐতিহ্যের স্বাদ।

চৌধুরী অ্যান্ড কোম্পানি
শেষ আপডেট: 14 April 2026 18:01
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাত পোহালেই বাংলা নববর্ষ। বাঙালিদের কাছে অত্যন্ত আবেগের দিন। আট থেকে আশি সকলেই এদিন বাঙালিয়ানায় মাতে, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি গায়ে মেখে উদযাপনে গা ভাসায়। বাঙালি মানেই ভোজনরসিক, খাবার ছাড়া উদযাপন অসম্ভব। সেকথা মাথায় রেখে শহরের আর পাঁচটা বাঙালি রেস্তরাঁর মতো চৌধুরী অ্যান্ড কোম্পানিও করেছে বিশেষ আয়োজন। যেখানে এক থালায় ধরা দেবে একাধিক সুস্বাদু ও ঐতিহ্যবাহী পদ।
১৪ ও ১৫ এপ্রিল, দেশপ্রিয় পার্কের কাছে এই রেস্তরাঁয় মিলবে এই বিশেষ মেনু। শুরুতেই থাকছে গরমের অন্যতম জনপ্রিয় শরবত—তেঁতুল, ডাব, সুন্দরী কমলা আর গন্ধরাজ ঘোল। সঙ্গে হালকা স্যালাড। এরপর একে একে পাতে আসবে পেঁয়াজ পোস্ত বড়া, মোচার মালাই চপ, আম পেঁয়াজি, আম-পোস্ত বড়ার মতো নিরামিষ পদ। অন্যদিকে আমিষপ্রেমীরা পাবেন ভেটকির আলাদা ধরনের ফিশ ফ্রাই, চিংড়ির ইরানি কাটলেট, ঢাকাই চিকেন জালি কাবাব, তোপসে ভাজা, হাঁসের ডিমের ডেভিল, মাংসের চপ, আম পোড়া মাছের চপ—সহ আরও নানা পদ।
মূল খাবারে রয়েছে ডাল ও ভাতের বাঙালি ঘরোয়া ছোঁয়া। ভাজা মুগ ডাল, মৌরি-আদা বাটা দিয়ে বিউলির ডাল, চিংড়ি দিয়ে বিউলির ডাল, নারকেল দিয়ে ছোলার ডাল, আবার আম দিয়ে মুসুরি ও জমিদারি ডাল। সঙ্গে লুচি, কড়াইশুঁটির কচুরি, ভাত, বাসন্তী পোলাও, কাজু-কিশমিশ পোলাও ও চিংড়ি পোলাও।
সাইড ডিশ হিসেবে বেছে নিতে পারেন নিরামিষের মধ্যে থেকে আলুর দম, মোচার ঘন্ট, আলু পোস্ত। আর আমিষ থেকে কষা মুরগি, রেলওয়ে মুরগির ঝোল, কষা মাংস, ঢাকাই কালো ভুনা মাংস। মাছপ্রেমীদের জন্য দই কাতলা, ভেটকি পাতুরি, ইলিশ ভাপা, চিংড়ি মালাইকারি ও ডাব চিংড়ি। পাশাপাশি বেগুন, টমেটো, চিংড়ি ও কাঁচা আমের ভর্তা।
শেষ পাতে থাকছে মিষ্টি দই, আম দই, রসগোল্লা, রাবড়ি, আম ক্ষীর ও নলেন গুড়ের আইসক্রিম।
আম ছাড়া বৈশাখ অসম্পূর্ণ। তাই গরমের প্রিয় ফল সাজানো থাকবে আলাদা করে। আম দিয়ে ডাল, তরকারি, মাংস, মাছ—সবেতেই মিলবে নতুনত্বের ছোঁয়া।
রেস্তরাঁর কর্ণধারদের কথায়, পয়লা বৈশাখ মানেই ঐতিহ্য আর একসঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার সময়। সেই আবেগকেই এই মেনুর মাধ্যমে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। দু’জনের খাবারের খরচ শুরু প্রায় হাজার টাকা থেকে। দুপুর বারোটা থেকে রাত এগারোটা পর্যন্ত পাওয়া যাবে। ফলে যাদের এই খাবারের নাম শুনেই জিভে জল আসছে তারা দ্রুত পৌঁছে যেতে পারেন চৌধুরী অ্যান্ড কোম্পানিতে।