এমনকী, সদস্যপদ দিলে জানাতে হবে, কে যোগ দিচ্ছেন, কোন দল থেকে আসছেন, কী পদে ছিলেন, কোথায় এবং কখন যোগদান হচ্ছে—সব কিছুই।

গ্রাফিক্স-দ্য ওয়াল।
শেষ আপডেট: 16 September 2025 18:53
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জঙ্গিপুরে তৃণমূলের সংগঠনে যোগদান প্রক্রিয়ায় শৃঙ্খলার রাশ আরও টানল দল (TMC strong message)। যত দিন না ব্লক ও টাউন স্তরে নতুন সভাপতিরা দায়িত্বে আসছেন, তত দিন পর্যন্ত কোনও নতুন সদস্যকে দলে নেওয়া যাবে না—এমনই কড়া নির্দেশ জারি করলেন জঙ্গিপুর (Jangipur) সাংগঠনিক জেলার তৃণমূল সভাপতি তথা সাংসদ খলিলুর রহমান।
গত ১৪ সেপ্টেম্বর এই নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে ব্লক সভাপতি, বিধায়ক ও জেলা শাখা সংগঠনের সভাপতিদের কাছে। স্পষ্ট ভাষায় বলা হয়েছে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) দফতর এবং আইপ্যাককে (I PAC) না জানিয়ে কাউকে দলে নেওয়া যাবে না। এমনকী, সদস্যপদ দিলে জানাতে হবে, কে যোগ দিচ্ছেন, কোন দল থেকে আসছেন, কী পদে ছিলেন, কোথায় এবং কখন যোগদান হচ্ছে—সব কিছুই।
যদিও রাজ্যের সব জেলায় এই নির্দেশ জারি হয়নি, তা নিয়েই শুরু হয়েছে জল্পনা। কেন শুধু জঙ্গিপুর? খলিলুর রহমান বলছেন, “পার্টি বলেছে বলেই করেছি।” তবে শাসকদলের এক শীর্ষ নেতা জানিয়েছেন, “জঙ্গিপুর-সহ কয়েকটি জেলা রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর। তাই প্রথম পর্যায়ে এখানেই কড়াকড়ি।”
এই নির্দেশিকায় স্পষ্ট করে লেখা, সবটাই ‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ’। অভিষেকের নামের আদ্যক্ষর ‘এবি’-ও ব্যবহৃত হয়েছে। পাশাপাশি, আইপ্যাককে জানানো বাধ্যতামূলক করা নিয়েও রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। এক নেতা বলছেন, “ব্লক ও টাউন স্তরের রদবদল যেমন আইপ্যাকের রিপোর্টে ভিত্তি করে হচ্ছে, তেমনই যোগদানের ক্ষেত্রেও তাদের মত গুরুত্ব পাচ্ছে।”
সামশেরগঞ্জ, সুতি-সহ সম্প্রতি উত্তপ্ত থাকা এলাকায় সংগঠন ঢেলে সাজানোর কাজ শুরু করেছে তৃণমূল। সেই প্রেক্ষিতেই জঙ্গিপুরের এই নির্দেশিকাকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এখন দেখার, অন্য জেলাগুলিও এই মডেল অনুসরণ করে কি না।