সে সময় শুভেন্দু জানিয়েছিলেন, "তাঁকে প্রাণে মেরে ফেলতেই তৃণমূল (TMC leader) পরিকল্পিত হামলা হয়েছিল। বুলেট প্রুফ গাড়ি না থাকলে এতক্ষণ তাঁর ডেডবডি মর্গে থাকত। "

গ্রাফিক্স-দ্য ওয়াল।
শেষ আপডেট: 6 October 2025 18:24
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সোমবার সকালে উত্তরবঙ্গের (North Bengal) বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে নাগরাকাটায় আক্রান্ত হয়েছেন উত্তর মালদহের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু (BJP MP Khagen Murmu)। অভিযোগ, লোহার রড, বোল্ডার দিয়ে মারধর করা হয়। ঘটনাস্থলেই নাক-মুখ দিয়ে রক্তপাত শুরু হয় সাংসদের। সঙ্গে থাকা বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষও (Sankar Ghosh) আক্রান্ত হন।
তৃণমূলই পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে বলে প্রথমেই জানিয়েছিলেন আক্রান্ত বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। এবার সোশ্যাল মাধ্যমে হামলাকারীদের ছবি প্রকাশ করে বড় অভিযোগ সামনে আনলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।
গত ৫ অগস্ট দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার পথে কোচবিহারের খাগড়াবাড়িতে শুভেন্দুর কনভয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছিল। তবে বুলেটপ্রুফ গাড়ি থাকায় হামলার হাত থেকে রক্ষা পান বিরোধী দলনেতা। সে সময় শুভেন্দু জানিয়েছিলেন, "তাঁকে প্রাণে মেরে ফেলতেই তৃণমূল (TMC leader) পরিকল্পিত হামলা হয়েছিল। বুলেট প্রুফ গাড়ি না থাকলে এতক্ষণ তাঁর ডেডবডি মর্গে থাকত। "
এদিন সোশ্যাল মাধ্যমে ওই প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু লিখেছেন, 'তৃণমূলের সেই এক 'সন্ত্রাসবাদ মডেল', দেখুন কাদের ব্যবহার করা হয় আজকের নাগরাকাটায় সাংসদ খগেন মুর্মু ও বিধায়ক শঙ্কর ঘোষদের ওপর এই নির্মম প্রাণঘাতী আক্রমণ ঘটাতে। ঠিক যেই সব দুর্বৃত্তদের এনেছিল কোচবিহারের খাগড়াবাড়িতে আমার ওপর আক্রমণ করতে, সেই ভাবেই এখানেও একই ভাবে সেই 'বিশেষ সম্প্রদায়ের' কিছু উচ্ছৃঙ্খল আইন অমান্যকারীদের পরিকল্পিত ভাবে জড়ো করা হয় এই ঘৃণ্য অপরাধ-অরাজকতা ঘটাতে'।
সোশ্যাল মাধ্যমে হামলাকারীদের নাম-পরিচয়ও উল্লেখ করেছেন বিরোধী দলনেতা। সেই সঙ্গে শুভেন্দুর দাবি, 'এরা নিজেরাই আতঙ্কিত যে মমতা সরকার চলে গেলে এদের বেআইনি কার্যকলাপ বন্ধ হয়ে যাবে, আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আতঙ্কিত যে ক্ষমতায় টিকে থাকতে হলে এদের খোলা ছাড় দিতে হবে নয় তো এরাই কোনো দিন ঘটি উল্টে দিবে। এরা একে অপরের পরিপূরক তাই রাজ্যে আইনের শাসন বিলুপ্ত হয়ে গেছে...।'
যদিও উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন মন্ত্রী , দাপুটে তৃণমূল নেতা উদয়ন গুহ শুরু থেকেই বিজেপির অভিযোগ উড়িয়ে দাবি করেছেন, বিজেপির সাংসদ-বিধায়ক এলাকায় উস্কানির পরিবেশ তৈরি করতে গিয়ে দুর্ভোগের মধ্যে থাকা মানুষের মার খেয়েছেন। এর সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই।
তবে শুভেন্দু ছবি পোস্ট করে যেভাবে তৃণমূলকে কাঠগড়ায় তুলেছে, তার জবাবে শাসক দল কী বলে, পুলিশ প্রশাসন কোনও পদক্ষেপ করে কিনা, তা নিয়ে সব মহলে কৌতূহল তুঙ্গে।