২০২১-এর বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের জমি শক্ত করতে আইপ্যাকের যে বড় ভূমিকা ছিল তা অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষকই মনে করেন।

তৃণমূল কাউন্সিলর পার্থসারথি মাইতি
শেষ আপডেট: 20 November 2025 22:21
দ্য ওয়াল ব্যুরো: তৃণমূল, আইপ্যাক - এই দুটি শব্দ বাংলার রাজনীতিতে প্রায় মিশে গিয়েছে একপ্রকার। এবার তৃণমূল কাউন্সিলর পার্থসারথি মাইতির সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। ভোটের ফল ভাল না হলে আইপ্যাক কর্মীদের গাছে বেঁধে পেটানোই রাস্তা, দাবি তাঁর।
এই পার্থসারথি মাইতি পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। শুধু আইপ্যাক নয়, পুরসভার চেয়ারম্যানের দিকেও ক্ষোভের আঙুল তুলেছেন তিনি। 'দুর্নীতিগ্রস্ত' বলে শানালেন আক্রমণও।
জেলা সভাপতিকেও 'তোলাবাজ' বলেও অভিযোগ পার্থর। কারণ, জেলা সভাপতির নেতৃত্বে ১৫টার বেশি ওয়ার্ড হাতছাড়া হয়েছে। চেয়ারম্যানের পারফর্মেন্স নিয়েও ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। সবকিছুতে দোষ রয়েছে আইপ্যাকেরও। পার্থর কথায়, 'টাকার বিনিময়ে এসেছ, তোমাকে জেতাতে হবে। আমাদের কথা তো শোনোনি।' কোন দিকে ইঙ্গিত, উঠছে প্রশ্ন।
এই মুহূর্তে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন চঞ্চল খাঁড়া। তাঁর কথা, যিনি একথা বলেছেন, তা সেই ব্যক্তির মনে হয়েছে, তাই বলেছেন। চঞ্চল শুধু দল থেকে ঠিক করে দেওয়া দায়িত্ব পালন করছেন।
এই প্রসঙ্গে, সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সম্পাদক সুকান্ত চৌধুরির বক্তব্য, ওই পুরসভার দায়িত্ব সামলানোর মতো যোগ্য মানুষ খুঁজে পাওয়া যায়নি। পয়সা দিয়েই তো তৃণমূলের পদ পাওয়া যায়।
এসএসসির শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে মুখ খুলেও চরম বিতর্কের কেন্দ্রে এসেছিলেন তমলুক পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর পার্থসারথি মাইতি।
একসময় দলের যুব সহ-সভাপতি পদে থাকা এই নেতা এবার চাকরি চুরির দুর্নীতিতে দলের নেতাদের হয়ে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়ে কান ধরে ওঠবস করেন - সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ভিডিও ভাইরাল হয়।
২০২১-এর বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের জমি শক্ত করতে আইপ্যাকের যে বড় ভূমিকা ছিল তা অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষকই মনে করেন। তবে দলের অন্দরের অনেকেরই এই সংস্থা নিয়ে ভাল-মন্দ নানা মত ছিল।