‘যোগ্য’ অথচ চাকরিহারা প্রার্থীদের তরফে আলাদা পরীক্ষার দাবি তোলা হয়েছিল। তাঁদের যুক্তি, প্রায় এক দশক আগে তাঁরা পরীক্ষা দিয়ে যোগ্য বলে চিহ্নিত হয়েছেন।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 30 August 2025 10:57
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আগামী ৭ ও ১৪ সেপ্টেম্বর শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC)। তার আগে আজ শনিবার প্রকাশ পাবে অযোগ্য প্রার্থীদের (Ineligible Candidates) তালিকা। কমিশনের পক্ষ থেকে শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) জানানো হয়েছে, প্রায় ১,৯০০ জনের নাম এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং শনিবারই তা প্রকাশ্যে আনা হবে।
কমিশনের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে বলেন, অভিযোগকারীদের সমস্ত আশঙ্কা ভিত্তিহীন। তালিকা তৈরি করতে গিয়ে দু’একটি নাম ভুলভাবে ঢুকে পড়লেও তা সংশোধন করা হয়েছে। ফলে এ বার থেকে কেউ অভিযোগ করতে পারবেন না যে কোনও অযোগ্য প্রার্থী পরীক্ষায় বসার সুযোগ পেয়েছে। যোগ্য প্রার্থীরা নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশ স্তরের দুই পরীক্ষাতেই বসতে পারবেন। তাঁদের প্রোভিশনাল অ্যাডমিট কার্ডও ইতিমধ্যেই দেওয়া হয়ে গেছে। কমিশনের বক্তব্য, এর পর আর নতুন কোনও বিতর্কের অবকাশ নেই।
এদিন বিবেক পারিয়া বনাম পশ্চিমবঙ্গ সরকার মামলার শুনানি হয় বিচারপতি সঞ্জয় কুমার ও বিচারপতি সতীশচন্দ্র মিশ্রর ডিভিশন বেঞ্চে। এসএসসির সওয়াল শোনার পর বিচারপতিরা স্পষ্ট জানান, অযোগ্য কেউ যেন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতেই হবে। আদালতের পূর্ব নির্দেশ অনুযায়ী, এর ব্যত্যয় হলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যাঁরা অনলাইনে আবেদন জমা দিতে পারবেন না, তাঁরা নথির হার্ড কপি জমা দিতে পারবেন।
অন্যদিকে, ‘যোগ্য’ অথচ চাকরিহারা প্রার্থীদের তরফে আলাদা পরীক্ষার দাবি তোলা হয়েছিল। তাঁদের যুক্তি, প্রায় এক দশক আগে তাঁরা পরীক্ষা দিয়ে যোগ্য বলে চিহ্নিত হয়েছেন। নতুন প্রজন্মের পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে একই মঞ্চে প্রতিযোগিতায় নামলে তাঁদের সুযোগ কমবে। তাই তাঁদের জন্য পৃথক পরীক্ষা প্রয়োজন। তবে বিচারপতি সঞ্জয় কুমার সেই আর্জি নাকচ করে দেন। তাঁর পর্যবেক্ষণ, যোগ্য প্রার্থীরা বয়সে ছাড় পাচ্ছেনই, তার সঙ্গে রয়েছে অভিজ্ঞতার সুবিধা। তাই পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই এবং একসঙ্গেই অনুষ্ঠিত হবে।