Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
নববর্ষ উদযাপনের মাঝেও মনখারাপ! দিনের শুরুটা কীভাবে কাটালেন ঋতুপর্ণা?গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরাপ্রথম দফার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামছে ৪০ হাজার রাজ্য পুলিশ, কোন জেলায় কত

মেয়েকে শ্বাসরোধ করে মেরে আত্মঘাতী মহিলা! বেঙ্গালুরুর ফ্ল্যাটে জোড়া মৃত্যু ঘিরে ঘনীভূত রহস্য

বেঙ্গালুরুতে মর্মান্তিক ঘটনা! ১৩ বছরের নাবালিকা মেয়েকে শ্বাসরোধ করে খুন করার পর আত্মঘাতী হলেন মা। পুলিশের হাতে আসা দুই ভিন্ন অভিযোগে ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য। 

মেয়েকে শ্বাসরোধ করে মেরে আত্মঘাতী মহিলা! বেঙ্গালুরুর ফ্ল্যাটে জোড়া মৃত্যু ঘিরে ঘনীভূত রহস্য

সুবর্ণা ও তাঁর মেয়ে

গার্গী দাস

শেষ আপডেট: 15 April 2026 08:39

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বেঙ্গালুরুতে নিজের মেয়েকে খুন করে আত্মঘাতী হলেন মহিলা। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তোলপাড়। শুরু হয়েছে তদন্ত, উঠে আসছে একের পর এক প্রশ্ন।

মৃতার নাম সুবর্ণা (৪০), মৃত্যু হয়েছে তাঁর ১৩ বছরের মেয়েরও। মঙ্গলবার সকাল প্রায় ১১টা নাগাদ তাঁদের বাড়ি থেকে দু’জনের দেহ উদ্ধার হয়। আত্মহত্যার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের অনুমান, মেয়েকে শ্বাসরোধ করে খুন করার পর নিজে আত্মহত্যা করেন মহিলা।

ঘটনার পরই দু'টি পৃথক মামলা দায়ের হয়েছে। একটিতে অভিযোগ করেছেন সুবর্ণার স্বামী চন্দ্রশেখর (৪৫)। তাঁর দাবি, স্ত্রীই তাঁদের মেয়েকে খুন করেছেন। অন্যদিকে, সুবর্ণার ভাই মঞ্জুনাথ আরেকটি অভিযোগ দায়ের করে বোনের মৃত্যুর পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ফলে ঘটনাকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, গোটা ঘটনার ক্রম খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কী কারণে এমন চরম পদক্ষেপ তা জিজ্ঞাসাবাদ করে বোঝা যাবে। পরিবার-পরিজনের বয়ান, ফরেন্সিক রিপোর্ট—সব মিলিয়ে ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ চলছে।

প্রাথমিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর পুলিশেন অনুমান, মেয়েকে প্রথমে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়। তারপর সুবর্ণা নিজে কিছুক্ষণ সময় নিয়ে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেন। তবে এই তত্ত্ব এখনও চূড়ান্ত নয়। তদন্তকারীরা সব দিক খতিয়ে দেখছেন।

পরিবারের ভেতরে কোনও অশান্তি ছিল কি না, বা অন্য কোনও কারণ এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে কি না— সে সম্পর্কে প্রতিবেশীদের জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে। পুলিশ এখনও কোনও সম্ভাবনাকেই উড়িয়ে দিচ্ছে না।

একই পরিবারের দুই সদস্যের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ স্থানীয়রা। কীভাবে এক মা নিজের সন্তানের বিরুদ্ধে এমন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, সেই প্রশ্নই এখন সবার মুখে মুখে ঘুরছে।


```