হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ, স্ন্যাপচ্যাট গ্রুপ থেকে এই নাবালিকাদের খুঁজে টোপ ফেলত অভিযুক্ত। রাজ্যসভার সাংসদ অনিল বোন্দে বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশে অভিযোগ করেন। এরপরই সিট গঠন করে ওই যুবককে গ্রেফতার করা হয়।

ধৃত অভিযুক্ত
শেষ আপডেট: 15 April 2026 08:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নাবালিকাদের যৌন হেনস্থা, তাঁদের ভিডিও রেকর্ড করে রাখতেন মোবাইলে, মহারাষ্ট্রে এক বিজেপি সাংসদের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হল অভিযুক্ত যুবককে (Amravati minor exploitation case)। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করলে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে তাঁদের হাতে।
মহম্মদ আয়াজ ওরফে তানভীর নাবালিকা মেয়েদের প্রেমের ফাঁদে ফেলত বলে অভিযোগ। এরপর কথায় ভুলিয়ে মুম্বই, পুনেতে হোটেলে নিয়ে গিয়ে শারীরিক সম্পর্ক তৈরি করত। সেই ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দিও করত মোবাইলে।
দীর্ঘদিন ধরে এই অপরাধের সঙ্গে যুক্ত আয়াজ। পুলিশ সূত্রে খবর, প্রায় ১৮০টি নাবালিকা মেয়ের সঙ্গে এই ঘৃণ্য কাজ করেছে অভিযুক্ত। তাঁর ফোন থেকে পাওয়া গেছে ৩৫০-র বেশি আপত্তিকর ভিডিও।
জেরায় ধৃত জানিয়েছে, এই ভিডিওগুলি দিয়ে মেয়েদের ব্ল্যাকমেল করে পতিতাবৃত্তি করতে বাধ্য করা হত। এমনকি কিছু ভিডিও অনলাইনে শেয়ারও করা হয়েছিল।
জানা গেছে, হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ, স্ন্যাপচ্যাট গ্রুপ থেকে এই নাবালিকাদের খুঁজে টোপ ফেলত অভিযুক্ত। রাজ্যসভার সাংসদ অনিল বোন্দে বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশে অভিযোগ করেন। এরপরই সিট গঠন করে ওই যুবককে গ্রেফতার করা হয়।
মহম্মদ আয়াজ আগে মিমের (AIMIM) স্থানীয় এক পদাধিকারী হিসেবে কাজ করতেন বলে জানা গেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই সংক্রান্ত একাধিক পোস্ট রয়েছে তাঁর, রাজনৈতিক মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই পোস্টগুলি মুছে দেয় অভিযুক্ত যুবক।
পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে আয়াজকে গ্রেফতার করে আদালতে তোলে। আদালত তাকে সাত দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠিয়েছে। পুলিশ তার মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করেছে।
এখন তদন্ত চলছে, এই ভিডিওগুলি সে কি নিজের পরিচিতদের সঙ্গে ভাগ করত, নাকি কোনও বড় অপরাধচক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিল? সাইবার সেলকে কাজে লাগিয়ে অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলোর উৎসও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।