তবে রাজ্যের হাজার হাজার মানুষ তো কাজের সূত্রে রয়েছেন ভিনরাজ্যে। পরিযায়ী শ্রমিক (Migrants Worker, West Bengal) হিসেবেও লক্ষ লক্ষ বাঙালি ছড়িয়ে আছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।

ছবি-প্রতীকী।
শেষ আপডেট: 29 October 2025 19:27
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মঙ্গলবার থেকেই পশ্চিমবঙ্গ-সহ (SIR, BLO) ১২টি রাজ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে বিএলওদের প্রশিক্ষণ। একদিকে চলছে এনুমারেশন ফর্ম ছাপার কাজ, অন্যদিকে ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে ম্যাপিং অ্যান্ড ম্যাচিংয়ের পর্যায়।
এবার আসল কাজ—ঘরে ঘরে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ। দায়িত্বে থাকবেন বিএলওরা, অর্থাৎ বুথ লেভেল অফিসাররা। ভোটারদের বাড়িতেই পৌঁছে দেবেন এনুমারেশন ফর্ম।
তবে রাজ্যের হাজার হাজার মানুষ তো কাজের সূত্রে রয়েছেন ভিনরাজ্যে। পরিযায়ী শ্রমিক (Migrants Worker, West Bengal) হিসেবেও লক্ষ লক্ষ বাঙালি ছড়িয়ে আছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। প্রশ্ন উঠছে—তাঁরা যদি বাড়িতে না থাকেন, তবে কীভাবে জমা হবে তাঁদের ফর্ম?
সূত্রের খবর, এ নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। পরিযায়ী শ্রমিকরা চাইলে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। আর যদি তা সম্ভব না হয়, তবে পরিবারের অন্য কেউ তাঁদের হয়ে ফর্মে সই করে বিএলওর হাতে দিতে পারবেন।
বিএলওদের কাছে সংশ্লিষ্ট এলাকার সমস্ত ভোটার সংক্রান্ত তথ্য আগেই থাকে। কে কোথায় থাকেন, বাড়িতে নাকি বাইরে—সব খবরই তাঁদের নখদর্পণে। তাই তিনি এলাকায় নামার আগেই প্রশাসনের তরফে খবর পৌঁছে যাবে স্থানীয়দের কাছে।
পুরো কাজে তাঁকে সহায়তা করবেন বিএলএরা। যদি কোনও পরিবার কোনওভাবে বিএলওর আগমনের খবর না পান বা নির্দিষ্ট দিনে দেখা না হয়, তাহলেও দুশ্চিন্তার কারণ নেই। বিএলওরা তিন থেকে চারবার পর্যন্ত এলাকায় ফিরে আসবেন।
গড়ে প্রতিটি বুথে ভোটার সংখ্যা প্রায় ১২০০। তাই দিনে যদি ১৫ থেকে ২০টি বাড়িতে তথ্য সংগ্রহের কাজ এগোয়, তাহলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে পুরো সমীক্ষা।
তথ্য সংগ্রহ, প্রশিক্ষণ, অনলাইন আবেদন—সব মিলিয়ে প্রশাসন এখন প্রস্তুত। শুরু হয়ে গিয়েছে বাংলার এসআইআর অভিযানের নতুন অধ্যায়।