Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্লসামনে কাজল শেখ, মমতা কথা শুরু করতেই হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রতর! সিউড়িতে কী ঘটলEPL: নায়ক ওকাফর! ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ৪৫ বছরের অভিশাপ মুছল লিডস, রক্ষণের ভুলে ডুবল ম্যান ইউAsha Bhosle: 'এত ভালবাসার সবটাই তোমার...,' ঠাকুমার স্মৃতি আঁকড়ে আবেগঘন পোস্ট নাতনি জানাইয়েরSupreme Court DA: ডিএ নিয়ে সময়সীমা বৃদ্ধির আর্জি, বুধবার রাজ্যের মামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্টনির্বাচকদের শর্টলিস্টে বৈভব! আয়ারল্যান্ড সফরে যাওয়ার জোর সম্ভাবনা, ভাঙতে পারেন সচিনের রেকর্ডIPL 2026: ‘কাছের অনেককে বলেছিলাম, বৈভবকে প্রথম বলে আউট করব!’ কথা দিয়ে কথা রাখলেন প্রফুল্ল

RG Kar: সিবিআইয়ের টিকি কোথাও বাঁধা, তাই আসল সত্য সামনে আনছে না, দাবি নির্যাতিতার মা-বাবার

নির্যাতিতার বাবা স্পষ্ট ভাষায় প্রশ্ন তোলেন, আদালতে জমা দেওয়া সিবিআইয়ের রিপোর্টেই বলা হয়েছে ঘটনাস্থলে ছ’জন পুরুষের ডিএনএ মিলেছে।

 RG Kar: সিবিআইয়ের টিকি কোথাও বাঁধা, তাই আসল সত্য সামনে আনছে না, দাবি নির্যাতিতার মা-বাবার

গ্রাফিক্স-দ্য ওয়াল।

সুমন বটব্যাল

শেষ আপডেট: 15 December 2025 19:06

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের (RG Kar) সেই বিভীষিকাময় রাত পেরিয়ে গিয়েছে এক বছর। তবু ক্ষত শুকোয়নি। ২০২৪ সালের ৮ অগস্ট গভীর রাতে সেমিনার হলে তরুণী ডাক্তারি ছাত্রীর ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায় ফাঁসির সাজা পেয়েছে। কিন্তু তদন্তের পরেও একাধিক প্রশ্ন অমীমাংসিত—আর সেই প্রশ্নগুলিই ফের প্রকাশ্যে এনে সিবিআইয়ের (CBI) বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিলেন নির্যাতিতার বাবা-মা (Victim's parents)।

নির্যাতিতার বাবা স্পষ্ট ভাষায় প্রশ্ন তোলেন, আদালতে জমা দেওয়া সিবিআইয়ের রিপোর্টেই বলা হয়েছে ঘটনাস্থলে ছ’জন পুরুষের ডিএনএ মিলেছে। “তাহলে সঞ্জয় ছাড়া বাকি পাঁচজন কারা?”, সরাসরি প্রশ্ন তাঁর। অভিযোগ, সিবিআইয়ের ‘টিকি কোথাও বাঁধা’, তাই আসল সত্য সামনে আনতে চাইছে না।

মায়ের কণ্ঠে আরও তীব্র যন্ত্রণা। তাঁর কথায়, “সিবিআই নিজেই বলেছে ‘লার্জার কনস্পিরেসি’। তা হলে সত্যটা প্রকাশ করছে না কেন? আমার মেয়ের স্বপ্নগুলো চোখ দিয়ে রক্ত হয়ে ঝরেছে। সিবিআই কিছুই করেনি। তবে আমরা বিচার ছিনিয়ে আনবই।”

নির্যাতিতার বাবার দাবি, সিবিআই বা রাজ্য, কেউই জবাব দেবে না। একমাত্র ভরসা আদালত। তিনি বলেন, “হাইকোর্টে সাত মাস মামলা চলেছে। ডিভিশন বেঞ্চে তিন মাস ধরে লিস্টেড, এখনও শুনানি হয়নি। মামলা উঠলেই সিবিআইকে জবাব দিতে হবে।”

সিসিটিভি ফুটেজ নিয়েও গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন নির্যাতিতার মা। তাঁর দাবি, মেয়ের ডিউটির সময় ঘুমোনোর অভ্যাস ছিল না। তাই ঘটনার রাত থেকে পরের দিন দুপুর পর্যন্ত হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ দেখতে চেয়েছিলেন। “কোথায় ছিল আমার মেয়ে—এই কথা শুনেই সিবিআইয়ের আইও কেঁদে ফেলেছিলেন,” বলেন তিনি। পাশাপাশি প্রশ্ন তোলেন, ঘটনার তিন দিনের মাথায় সেমিনার হলের ওই দেওয়াল কেন দেওয়াল ভেঙে ফেলা হল। তাঁর অভিযোগ, তথ্য লোপাট করতেই এই কাজ। যাঁরা সেদিন ডিউটিতে ছিলেন, তাঁদের সকলের জেরা প্রয়োজন।

পরিবারের একটাই দাবি—সঞ্জয়ের সঙ্গে যারা যুক্ত, সবাইকে গ্রেফতার করতে হবে। “ওদের সামনে আনতেই হবে,” স্পষ্ট বার্তা।

উল্লেখ্য, গত অগস্টে দিল্লি গিয়ে সিবিআই ডিরেক্টরের সঙ্গে দেখা করেছিলেন নির্যাতিতার বাবা-মা। সেসময়ও ক্ষোভ উগরে দিয়ে নির্যাতিতার বাবা বলেছিলেন, “ডিরেক্টর নিজেই বলছেন এই মামলা ছেড়ে দেবেন। সিবিআই বোগাস।” তাঁর অভিযোগ, কে ধর্ষণ করল, কোথায় করল, কেন করল—একটারও উত্তর দিতে পারেনি তদন্তকারী সংস্থা।

এক বছর পরেও তাই প্রশ্ন একই জায়গায়—সঞ্জয় রায়ের বাইরে আর কারা জড়িত? সেই উত্তর না মিললে বিচার অসম্পূর্ণই থেকে যাবে, বলেই মনে করছে নির্যাতিতার পরিবার।


```