Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র‘একজনকে ধরলে হাজার জন বেরোবে...’, আইপ্যাক ডিরেক্টর গ্রেফতারের পরই নাম না করে হুঁশিয়ারি মমতারনববর্ষে বাঙালিয়ানার ষোলো আনা স্বাদ! ঢাকাই কালো ভুনা থেকে আম পেঁয়াজির যুগলবন্দি, মিলবে এই রেস্তরাঁয়‘কোভিড ভ্যাকসিনই হার্ট অ্যাটাকের কারণ!’ শেন ওয়ার্নের মৃত্যু নিয়ে ছেলের মন্তব্যে নতুন বিতর্ক এবার রক্তদান শিবিরেও কমিশনের ‘নজরদারি’! রক্তের আকাল হলে কী হবে রোগীদের? প্রশ্ন তুললেন কুণালমারাঠি না জানলে বাতিল হবে অটো-ট্যাক্সির লাইসেন্স! ১ মে থেকে কড়া নিয়ম মহারাষ্ট্রেআশা ভোঁসলেকে শ্রদ্ধা জানাতে স্থগিত কনসার্ট, গায়িকার নামে হাসপাতাল গড়ার উদ্যোগউৎসবের ভিড়ে হারানো প্রেম, ট্রেলারেই মন কাড়ছে ‘উৎসবের রাত্রি’‘বাংলাকে না ভেঙেই গোর্খা সমস্যার সমাধান’, পাহাড় ও সমতলের মন জিততে উন্নয়নের ডালি শাহের

RG Kar: সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তোলা সেই আখতারই এবার সিবিআইয়ের চার্জশিটে

আরজি কর দুর্নীতি মামলায় নয়া মোড়!

RG Kar: সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তোলা সেই আখতারই এবার সিবিআইয়ের চার্জশিটে

সন্দীপ ঘোষ ও আখতার আলি।

সুমন বটব্যাল

শেষ আপডেট: 1 December 2025 19:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আরজি করে (RG Kar) দুর্নীতির অভিযোগের সূচনাটা করেছিল যাঁর চিঠি—এ বার সেই মুখই ধরা পড়ল সিবিআইয়ের চার্জশিটে! 

আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের আর্থিক দুর্নীতি মামলায় সোমবার অতিরিক্ত চার্জশিট জমা দিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (CBI chargesheet)। সেখানে নাম রয়েছে হাসপাতালের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলির (Deputy Superintendent Akhtar Ali)। শুধু তিনিই নন, চার্জশিটে যোগ হয়েছে আর এক জন—শশীকান্ত চন্দক নামে এক ব্যক্তির নামও।

সোমবার সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে জমা পড়েছে এই চার্জশিট। এর আগে সন্দীপ ঘোষ (Sandip Ghosh), বিপ্লব সিং, সুমন হাজরা, আফসার আলি খান, আশিস পাণ্ডে—সহ একাধিক জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিয়েছিল সিবিআই। তাঁদের প্রত্যেককেই গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে আখতারের নামে চার্জশিট হলেও এখনও পর্যন্ত তাকে গ্রেফতার করা হয়নি।

এ ব্যাপারে প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় আখতার জানান, “চার্জশিটের কপি এখনও হাতে পাইনি। আইনি প্রক্রিয়া চলছে। কোন ধারায় অভিযোগ, দেখার পরে আইনজীবীরাই সিদ্ধান্ত নেবেন। আমাকে ভাবতে দিন।”

এই আখতারই ছিলেন সেই ব্যক্তি, যিনি ২০২৩ সালে আরজি করের তৎকালীন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের লিখিত অভিযোগ পাঠিয়েছিলেন রাজ্য ভিজিল্যান্স কমিশনে। অভিযোগ, দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব হওয়ায় এরপরই তাঁকে বদলি করে পাঠানো হয় প্রথমে মুর্শিদাবাদ, পরে উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জ হাসপাতালে। সম্প্রতি পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করলেও তা গ্রহণ করা হয়নি। উলটে দিন কয়েক আগে তাঁকে সাসপেন্ড করেছে স্বাস্থ্য দফতর।

স্বাস্থ্য দফতরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআইয়ের তদন্তে আখতারের ভূমিকাই পরে উঠে আসে সামনে। আরজি করের সহকারী সুপার এবং পরে ডেপুটি সুপার হিসাবে হাসপাতালের সরঞ্জাম কেনাবেচায় তাঁর ‘অস্বাভাবিক প্রভাব’-এর সন্ধান পায় তদন্তকারীরা।

দফতরের দাবি, সরঞ্জাম কেনাবেচায় সংশ্লিষ্ট এক সংস্থাকে সুবিধা পাইয়ে দিতে লক্ষাধিক টাকা দাবি করেছিলেন আখতার। শুধু তা-ই নয়, ২০২০ থেকে ২০২২—এই দু’বছরে তাঁর ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে ২ লক্ষ ৩৯ হাজার টাকা। পাশাপাশি তাঁর স্ত্রীর অ্যাকাউন্টেও এসেছে ৫০ হাজার। বিমানযাত্রার ক্ষেত্রেও ব্যক্তিগত সুবিধা নিয়েছিলেন বলে রিপোর্ট পেয়েছে স্বাস্থ্য দফতর।

সেই সব তথ্য মাথায় রেখেই তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়। আর এ বার সিবিআইয়ের চার্জশিটে তাঁর নাম ওঠায় আরজি কর দুর্নীতিকাণ্ডে নতুন মোড়, যা নিয়ে প্রশাসনিক মহলেও শুরু নতুন জল্পনা।


```