বুধবার সকাল হতেই ফের অ্যাকশন মুডে ইডি। বালিগঞ্জের জোড়া ঠিকানায় তল্লাশি চালায় তদন্তকারীদের দল। ইডি সূত্রে খবর, আর্থিক প্রতারণা মামলার তদন্তেই এই অভিযান।

বালিগঞ্জে ইডি অভিযান
শেষ আপডেট: 1 April 2026 08:03
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বুধবার সকাল হতেই ফের অ্যাকশন মুডে ইডি (ED)। বালিগঞ্জের (Ballygunge) জোড়া ঠিকানায় তল্লাশি চালায় তদন্তকারীদের দল। ইডি সূত্রে খবর, তার মধ্যে একটি ঠিকানা সোনা পাপ্পুর বাড়ি। আর্থিক প্রতারণা মামলার তদন্তে বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুর (Sona Pappu) বাড়িতে এই অভিযান।
কয়েক সপ্তাহ আগে গোলপার্কের (Golpark) কাঁকুলিয়া রোডে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষের গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছিল। যার মূল অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল সোনা পাপ্পুকে (Sona Pappu)। তদন্ত এগোতেই পুলিশের হাতে আসে বিশ্বজিৎ পোদ্দার (Biswajit Poddar) ওরফে সোনা পাপ্পু কসবা ও বালিগঞ্জ এলাকার 'ত্রাস'। ঘটনার পর থেকেই তিনি ফেরার।
এদিন সকালে ফার্ন রোডে তাঁর বিলাসবহুল বাড়িতে হানা দেয় ইডি আধিকারিকরা। অভিযোগ, নির্মাণকাজের নামে কোটি কোটি টাকা তুলেছে সোনা পাপ্পু আর সেই টাকা তিনি পৌঁছে দিতেন প্রভাবশালীদের কাছে। সেই বিপুল পরিমাণ টাকার সূত্র খুঁজতেই এদিনের অভিযান।
গোলপার্ক গুলিকাণ্ড
ফেব্রুয়ারি মাসে গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল রবীন্দ্র সরোবর থানা এলাকার কাঁকুলিয়া রোড। এলাকাবাসীদের একাংশের দাবি ছিল, তাঁর দলবলই এলাকায় ঢুকে দাদাগিরি ও দখলের চেষ্টা করেছিল। যদিও একের পর এক গ্রেফতারির পরেও সোনা পাপ্পু এখনও অধরা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কলকাতা পুরসভার ৬৭ নম্বর ও ৯১ নম্বর ওয়ার্ডে শাসকদলের হয়ে যাবতীয় নিয়ন্ত্রণের কাজ করে সোনা পাপ্পু।
বাসিন্দাদের অভিযোগ আরও গুরুতর—বিগত পুরভোট হোক বা অন্য কোনও নির্বাচন, বিরোধীদের ‘ঘরবন্দি’ করতে সোনা পাপ্পুই নাকি শাসকদলের পছন্দের হাতিয়ার। মাত্র মাসখানেক আগে, পুরসভার বিল্ডিং বিভাগে ৫০–৫৫টি বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ জমা পড়ে। প্রতিটি অভিযোগেই উঠে এসেছে সোনা পাপ্পুর নাম।
এর আগে ২০২২ সালে তার নাম কুখ্যাত দুষ্কৃতীদের তালিকায় জুড়ে জেলবন্দি করেছিল কলকাতা পুলিশ। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই বেরিয়ে আসে এবং আবার শুরু হয় প্রভাব-প্রতিপত্তি।