শহরের নামী পুজোগুলি দশমীর পরও প্যান্ডেল দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকে। যাঁরা প্রতিমা দর্শন করতে পারেননি, তাঁদের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 2 October 2025 20:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নবমী নিশি থেকেই মনটা খারাপ হতে শুরু করে, কারণ রাত পেরোলেই মাকে ফিরতে হবে কৈলাসে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বিভিন্ন মণ্ডপে দেবী বরণ শুরু হয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস (Weather Forecast) মতোই দশমীর দিন আকাশ মেঘলা এবং বৃষ্টি চললেও ঠাকুর দেখা থামেনি। কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি, কোথাও আবার ঝোড়ো হাওয়া বইছে- তার মধ্যেই চলছে দুর্গাপুজোর (DURGAPUJA 2025) শেষ মুহূর্তের দর্শন।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই মণ্ডপে মণ্ডপে দেবীর বরণপর্ব শুরু হয়েছে। ঘাটে ঘাটে বিসর্জনের জন্য কড়া নজরদারি চলছে। বাড়ির পুজোগুলির মূলত দুপুরের মধ্যেই বিসর্জন (Visarjan) সম্পন্ন হয়েছে।
তবে শহরের নামী পুজোগুলি দশমীর পরও প্যান্ডেল দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকে। যাঁরা প্রতিমা দর্শন করতে পারেননি, তাঁদের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পুজোর অন্যান্য দিন গুলির তুলনায় ভিড় কম থাকলেও বৃষ্টি মাথায় নিয়েই সকলে বিভিন্ন পুজো মণ্ডপে পৌঁছে গেছেন।
পুজোর দিনগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা জানিয়েছিল হাওয়া অফিস। ষষ্ঠী-সপ্তমী বেশ ভালই কেটেছে। অষ্টমী থেকে হালকা বৃষ্টি হলেও তেমন দুর্যোগ হয়নি। তবে দশমীর সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ দেখা গেছে। বেলা গড়াতেই বৃষ্টি শুরু হয়। সারাদিনই প্রায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলেছে জেলায় জেলায়। কোথাও কোথাও ঝোড়ো হাওয়াও বয়েছে।
সন্দেশখালিতে মাত্র কয়েক মিনিটের ঝড়ে ২টি গ্রাম বিপর্যস্ত হয়ে গেছে। শতাধিক বাড়ি তছনছ হয়েছে। আহতও হয়েছে একাধিক।
একাদশীতেও বৃষ্টি চলবে বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। দুই ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদ, হাওড়া, বীরভুম-সহ দক্ষিণের একাধিক জেলায় ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত কলকাতায় ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে।