শুক্রবার সকালে একদল বিজেপি সমর্থক (BJP Supporters) বিজেপির পতাকা হাতে নিয়ে শিয়ালদহে প্রদেশ কংগ্রেস দফতরে গিয়ে ভাংচুর চালালেন।

প্রদেশ কংগ্রেসের দফতর ভাঙচুর বিজেপির
শেষ আপডেট: 29 August 2025 15:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কলকাতার (Kolkata) প্রদেশ কংগ্রেস দফতরে (Pradesh Congress Office) বিজেপির (BJP) তাণ্ডব। শুক্রবার সকালে একদল বিজেপি সমর্থক (BJP Supporters) বিজেপির পতাকা হাতে নিয়ে শিয়ালদহে প্রদেশ কংগ্রেস দফতরে গিয়ে ভাংচুর চালালেন। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর ছবি (Rahul Gandhi)-সহ একাধিক ব্যানার, পোস্টার ধ্বংস করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। প্রদেশ কংগ্রেস এর তীব্র নিন্দা করেছে।
অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi) এবং তাঁর প্রয়াত মাকে (Heeraben Modi) নিয়ে অশালীন মন্তব্যের (PM Modi Abuse Row) জেরে এদিন পাটনায় রাস্তায় নেমে প্রতিবাদে সামিল হয় বিজেপি (BJP)। পাল্টা কংগ্রেস (Congress) কর্মীরাও মাঠে নামতেই দুই শিবিরের মধ্যে মারপিট লেগে যায়।
সোশ্যাল মিডিয়ায় যে ভিডিও ভাইরাল হয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে, দুই দলের কর্মীরা দলীয় পতাকা দিয়েই একে অপরকে মারছেন। বিজেপি নেতা নীতিন নবীন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, “মায়ের অপমানের বদলা বাংলার প্রতিটি ছেলে কংগ্রেসকে দেবে। এর জবাব আমরা অবশ্যই নেব।”
অন্যদিকে কংগ্রেসের অশুতোষের অভিযোগ, “ঘটনায় সরকারেরই মদত রয়েছে। নীতীশ কুমার ভুল করছেন। আমরাও জবাব দেব।”
উত্তেজনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার প্রকাশ্যে আসা একটি ভিডিও ঘিরে। অভিযোগ, ‘ভোটার অধিকারের যাত্রা’ চলাকালীন দরভাঙ্গায় কংগ্রেসের পতাকা গায়ে জড়ানো এক ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে অশ্লীল মন্তব্য করেন। ওই ভিডিও ভাইরাল হতেই বিজেপি থানায় এফআইআর দায়ের করে এবং কংগ্রেসের কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানায়।
পরে দরভাঙ্গা পুলিশ জানিয়েছে, ওই ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এক্স-এ পুলিশের লিখেছে— “সিমরি থানায় মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে আদালতে পেশ করা হচ্ছে।”
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কড়া ভাষায় নিন্দা করে লেখেন, “রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেস রাজনীতি সবচেয়ে নীচে নেমে গিয়েছে। একজন গরিব মায়ের ছেলে ১১ বছর ধরে প্রধানমন্ত্রী পদে বসে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, তা তারা মেনে নিতে পারছে না। প্রধানমন্ত্রীকে এবং তাঁর প্রয়াত মাকে নিয়ে এই ধরনের ভাষা কেবল লজ্জাজনকই নয়, গণতন্ত্রের উপরও কলঙ্ক।”
বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডা বলেন, “এই ধরনের অশালীন আক্রমণ সব সীমা ছাড়িয়েছে। রাহুল গান্ধী ও তেজস্বী যাদবের ক্ষমা চাওয়া উচিত।”
ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারও। তাঁর বক্তব্য, “প্রধানমন্ত্রী এবং তাঁর প্রয়াত মাকে নিয়ে অশ্লীল মন্তব্য করা অনুচিত। আমি এর তীব্র নিন্দা করছি।”