অমিত শাহ এক্সে লিখেছেন, “দরভাঙ্গার মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদী ও তাঁর প্রয়াত মাতাকে নিয়ে যে অশালীন মন্তব্য করা হয়েছে, তা নিন্দনীয়ই নয়, দেশের গণতন্ত্রেরও কলঙ্ক।”
_0.jpeg.webp)
নরেন্দ্র মোদী
শেষ আপডেট: 28 August 2025 23:34
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিহারে রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) ‘ভোটার অধিকার যাত্রা’কে (Voter Aadhikar Yatra) ঘিরে ফের উত্তাল হয়েছে রাজনীতি। অভিযোগ, দরভাঙ্গায় একটি মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে (Narendra Modi) লক্ষ্য করে কটূক্তি ছোড়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিজেপির (BJP) তরফে দাবি করা হয়, এই ঘটনার জেরে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ‘ইন্ডিয়া’ জোটকে (India Bloc) মানুষ শাস্তি দেবে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) এই ঘটনাকে “দেশের গণতন্ত্রে কলঙ্ক” বলে আখ্যা দেন।
বুধবার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে, যাতে দেখা যাচ্ছে মঞ্চ থেকে কেউ মোদীকে উদ্দেশ করে অশালীন ভাষা ব্যবহার করছে। যদিও ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেনি দ্য ওয়াল। ওই দিনই রাহুল, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব (Tejashwi Yadav) দরভাঙ্গা থেকে মোটরবাইকে চড়ে মুজফ্ফরপুরের উদ্দেশে রওনা দেন।
এই ঘটনার প্রতিবাদে পাটনার কোতওয়ালি থানায় এফআইআর দায়ের করল বিহার বিজেপি। দলের জেলা সভাপতি আদিত্য নারায়ণ ঝা মান্না জানান, “ঘটনার প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা চাই।”
অমিত শাহ এক্সে লিখেছেন, “দরভাঙ্গার মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদী ও তাঁর প্রয়াত মাতাকে নিয়ে যে অশালীন মন্তব্য করা হয়েছে, তা নিন্দনীয়ই নয়, দেশের গণতন্ত্রেরও কলঙ্ক।”
বিজেপির মুখপাত্র সাম্বিত পাত্র বলেন, “আজ মোদীজি ও তাঁর প্রয়াত মাকে নিয়ে যে ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে, তার নেপথ্যে রয়েছেন রাহুল গান্ধী। কংগ্রেস এখন ‘গালি ওয়ালি পার্টি’। তাদের এই দোকান প্রথমে বিহার থেকেই বন্ধ হবে।”
রাজ্যের উপ-মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী আরজেডি সমর্থকদের ‘দাদাগিরি’ বলে অভিহিত করেছেন। তাঁর বক্তব্য, “ক্ষমতার লোভে কংগ্রেস এই ধরনের উচ্ছৃঙ্খলতা মেনে নিচ্ছে। কিন্তু বিহারের মানুষ ইন্ডিয়া জোটকে ক্ষমা করবে না।” কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রায়ও রাহুল ও তেজস্বীকে ক্ষমা চাইতে বলেছেন।
অন্যদিকে, কংগ্রেসের মুখপাত্র অসিত নাথ তিওয়ারি দাবি করেছেন, বিজেপিই বরাবর কটূক্তির রাজনীতি করে। তাঁর কথায়, “মানুষ এখন এনডিএ সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়ছে। তবু আমরা চেষ্টা করি, যেন সভায় কেউ অশোভন মন্তব্য না করে।”
আরজেডির মুখপাত্র মৃণাল তিওয়ারির বক্তব্য, “কোনও দলের সমর্থক কী উদ্দেশ্যে ওই মন্তব্য করেছে, তা তদন্তে স্পষ্ট হবে। তবে সৌজন্যপূর্ণ রাজনৈতিক ভাষার সীমা ভাঙে সবসময় বিজেপিই, ইন্ডিয়া জোট নয়।”