Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্লসামনে কাজল শেখ, মমতা কথা শুরু করতেই হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রতর! সিউড়িতে কী ঘটলEPL: নায়ক ওকাফর! ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ৪৫ বছরের অভিশাপ মুছল লিডস, রক্ষণের ভুলে ডুবল ম্যান ইউAsha Bhosle: 'এত ভালবাসার সবটাই তোমার...,' ঠাকুমার স্মৃতি আঁকড়ে আবেগঘন পোস্ট নাতনি জানাইয়েরSupreme Court DA: ডিএ নিয়ে সময়সীমা বৃদ্ধির আর্জি, বুধবার রাজ্যের মামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্টনির্বাচকদের শর্টলিস্টে বৈভব! আয়ারল্যান্ড সফরে যাওয়ার জোর সম্ভাবনা, ভাঙতে পারেন সচিনের রেকর্ডIPL 2026: ‘কাছের অনেককে বলেছিলাম, বৈভবকে প্রথম বলে আউট করব!’ কথা দিয়ে কথা রাখলেন প্রফুল্ল

'প্রভাব খাটিয়ে' মাস্টার্সে ভর্তির চেষ্টা পিএইচডি-র ছাত্রের! কাঠগড়ায় তৃণমূল নেতা, উত্তাল যাদবপুর

সঞ্জীবের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, তিনি নাকি নিজেই ঘোষণা করেছেন যে, তিনি এখন ছাত্র নন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মে এনরোল্ডও নন। কিন্তু অনেকে দাবি করছেন, তাঁর জন্য আলাদা মিটিং ডাকা হচ্ছে।

'প্রভাব খাটিয়ে' মাস্টার্সে ভর্তির চেষ্টা পিএইচডি-র ছাত্রের! কাঠগড়ায় তৃণমূল নেতা, উত্তাল যাদবপুর

ফাইল ছবি

সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: 13 October 2025 19:23

দ্য ওয়াল ব্যুরো: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে (Jadavpur University) ফের ভর্তি (Admission) নিয়ে বিতর্ক। অভিযোগ উঠেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম বিভাগে (Journalism) প্রভাব খাটিয়ে ভর্তির আবেদন করেছেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের এক নেতা (TMC Leader)। তিনি বর্তমানে ওই বিশ্ববিদ্যালয়েরই পিএইচডি গবেষক। তবু গবেষণা চলাকালীনই ফের মাস্টার্স (Masters) বা স্নাতকোত্তরে ভর্তি হওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ।

অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার নাম সঞ্জীব প্রামাণিক। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সঞ্জীব আবেদন করতেই তা দ্রুত অনুমোদিত হয়। এমনকী প্রবেশিকা পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ডও (Admit Card) জারি হয় তার নামে। পরীক্ষা দিয়ে ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়াও সম্পূর্ণ করে ফেলেন তিনি। এই ঘটনাতেই ক্ষোভ ছড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে। এরপরই যাদবপুরের প্রায় সব ছাত্র সংগঠন একজোট হয়ে বিক্ষোভে সামিল হয়।

এসএফআই-এর এক সদস্য বলেন, “আমরা দেখেছি, গণমাধ্যম বিভাগে তৃণমূলের এক নেতা বর্তমানে পিএইচডি (PhD) করছেন। অথচ তাঁকে আবার একই বিভাগে মাস্টার্সে ভর্তি করানো হয়েছে। এটা স্পষ্টত বেআইনি।'' তাঁদের দাবি, অবিলম্বে ওই ছাত্রের ভর্তি প্রক্রিয়া বাতিল করতে হবে। পাশাপাশি তারা এও বলছেন, যারা সত্যি যোগ্য তাঁদের ভর্তির সুযোগ নষ্ট করা হচ্ছে এভাবে।

অন্যদিকে সঞ্জীবের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, তিনি নাকি নিজেই ঘোষণা করেছেন যে, তিনি এখন ছাত্র নন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মে এনরোল্ডও নন। কিন্তু অনেকে দাবি করছেন, তাঁর জন্য আলাদা মিটিং ডাকা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, কোনও তথ্যগত ভুল থাকলে আবেদন বাতিল হবে - ফর্মে স্পষ্ট লেখা থাকলেও তাঁকে সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।

যে তৃণমূল ছাত্র নেতার বিরুদ্ধে এত অভিযোগ, সেই সঞ্জীব প্রামাণিক অবশ্য বিষয়টিকে প্রশাসনিক ত্রুটি বলেই দাবি করেছেন। তাঁর বক্তব্য, তিনি রিসার্চ স্কলার। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণেই ফর্মে এমন বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। তিনি এও বলেন, তাঁর মাস্টার্সে ভর্তি হওয়া নিয়ে আপত্তির কথাও বিশ্ববিদ্যালয়কে জানিয়েছেন।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তরফে এখনও পর্যন্ত এই বিতর্কে কোনও সরকারি প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে ছাত্র সংগঠনগুলির দাবি, বিষয়টি অবিলম্বে তদন্ত করে প্রশাসনকে স্পষ্ট অবস্থান জানাতে হবে।


```