আতঙ্কিত হলেও অনেকেই সাহস দেখিয়ে আগুন নেভানোর কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন। এলাকার মানুষ, হোটেলের কর্মী ও অন্যান্য সাধারণ মানুষ জল, বালতি ও অন্যান্য সামগ্রী দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 26 June 2025 07:10
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আবার একবার কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা (Fire Incident)। বুধবার গভীর রাতে ভবানীপুরে (Bhawanipore) আগুন লাগার ঘটনায় চাঞ্চল্য। জানা গেছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বিধানসভা এলাকা ৭১ নম্বর ওয়ার্ডে, পুলিশ হাসপাতালের কাছে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, রাত প্রায় সাড়ে ১২টা নাগাদ বেণীনন্দন স্ট্রিটের একটি গাছে প্রথম আগুন লাগে। সেখান থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশে থাকা একটি বাড়িতে। গোটা এলাকা মুহূর্তে ঢেকে যায় ধোঁয়ায়। তৈরি হয় আতঙ্ক। কারণ ঘটনাস্থলের পাশেই রয়েছে একাধিক হোটেল ও খাবারের দোকান। আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে না এলে বড়সড় বিপদ ঘটতে পারত।
আতঙ্কিত হলেও অনেকেই সাহস দেখিয়ে আগুন নেভানোর কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন। এলাকার মানুষ, হোটেলের কর্মী ও অন্যান্য সাধারণ মানুষ জল, বালতি ও অন্যান্য সামগ্রী দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন।
পুলিশ এবং দমকলের একটি ইঞ্জিন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছলেও, স্থানীয়দের অভিযোগ — খবর দেওয়ার অনেক পরে আসে দমকল। তার মধ্যেই স্থানীয়রাই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এই ‘দেরি’ নিয়েই দমকলের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে।
কিন্তু কীভাবে লাগল আগুন? প্রাথমিক তদন্তে দমকল ও পুলিশ জানিয়েছে, বিদ্যুতের তারের সঙ্গে ইন্টারনেট ক্যাবলের জট থেকে শর্ট সার্কিট হয় এবং সেখান থেকেই আগুন লাগে। তবে বড় কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই।
উল্লেখ্য, কিছু দিন আগেই খিদিরপুরে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছিল। সেখানেও দমকলের বিরুদ্ধে একই অভিযোগ ওঠে। যদিও তা নস্যাৎ করেছিলেন রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু।
বর্তমানে দিঘায় রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে আগুন লাগার খবর গভীর রাতেই তাঁর কাছে পৌঁছেছে।