মানববন্ধন চলাকালীনই হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়েন এক গ্রুপ সি-র কর্মী। তাঁকে দ্রুত নিয়ে যাওয়া হয় বিধাননগর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে।

ঘটনাস্থলের ছবি
শেষ আপডেট: 25 June 2025 22:50
দ্য ওয়াল ব্যুরো: যোগ্যদের তালিকা প্রকাশ-সহ তিন দফা দাবিতে পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী বুধবার সল্টলেকে স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) অফিসের সামনে বিক্ষোভ অবস্থান করেন গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি অধিকার মঞ্চের সদস্যরা। থালা, বাটি হাতে এদিন বিক্ষোভে সামিল হন তাঁরা। পরে বিকেলে মানববন্ধন করতে দেখা যায়। এই মানববন্ধন চলাকালীনই হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়েন এক গ্রুপ সি-র কর্মী। তাঁকে দ্রুত নিয়ে যাওয়া হয় বিধাননগর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে।
বুধবার এসএসসি ভবনের সামনে জমায়েত করে প্রথমে আন্দোলনকারীরা পুলিশের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁদের জানানো হয়, এসএসসির চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার শিক্ষাভবনে রয়েছেন অর্থাৎ মানে বিকাশ ভবনে। প্রশাসনের তরফে ১০ জনের প্রতিনিধি নিয়ে ডেপুটেশন জমা দেওয়া ও দেখা করার অনুমতি দেওয়া হয়। এই শর্তে রাজি না হওয়ায় তাঁরা এসএসসি ভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন।
তাঁদের দাবি ছিল, সকলেই দেখা করতে চান চেয়ারম্যানের সঙ্গে। শুধুমাত্র ১০ জনকে কেন অনুমতি দেওয়া হল। যদিও বেলা গড়াতে তাঁরা ১০ জনের দেখা করার বিষয়টিতে সহমত হন এবং বিকাশ ভবন পৌঁছন। শুরু করেন মানববন্ধনের কাজ। সেসময়ই অসুস্থ হয়ে পড়েন একজন। যদিও বাকিরা এসএসসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করেন।
বিকাশ ভবন থেকে বেরিয়ে অমিত মণ্ডল বলেন, 'চেয়ারম্যানের কাছে আমাদের মূল দাবি ছিল, যোগ্য শিক্ষাকর্মীদের সার্টিফায়েড লিস্ট, ২২ লক্ষ ওএমআর পাবলিশ করা এবং আমাদের যোগ্যদের চাকরিতে পুনর্বহাল করা। উনি জানিয়েছেন, ওঁর কিছু করার নেই পুনর্বহাল রাখার ব্যাপারে। ২২ লক্ষ ওএমআরও এখনই বের করা সম্ভব নয় কারণ আদালতে মামলা চলছে। কিছু আইনগত বিষয় আছে। উনি সদুত্তর দিতে পারেননি তাই। কিন্তু যোগ্যরা দফতরে ফিরতে পারবেন, এমন সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল। সেই অনুযায়ী, যোগ্যদের লিস্ট উনি শিক্ষা দফতরে পাঠিয়েছেন বলে জানান। ডিআই-তে সার্কুলেট হবে।'
অমিত মণ্ডলের কথা থেকে স্পষ্ট, এই উত্তরে তাঁরা সন্তুষ্ট হননি। জানান, তাঁরা যোগ্যদের লিস্ট পাবলিক ডোমেনে পাবলিশ করার দাবি জানিয়েছেন। যদিও এক্ষেত্রেও সদুত্তর পাওয়া যায়নি। তবে, আন্দোলনকারীদের ওই লিস্ট দেওয়ার ব্যাপারে ভাবা হচ্ছে বলে জানান চেয়ারম্যান। সময় চেয়ে নেন সোমবার পর্যন্ত। আশ্বস্ত না হলেও এই কথা শুনে বুধবারের আন্দোলন তুলে নেন সকলে। পরবর্তী পদক্ষেপ সোমবারের পর করা হবে বলে জানান।