Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্লসামনে কাজল শেখ, মমতা কথা শুরু করতেই হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রতর! সিউড়িতে কী ঘটলEPL: নায়ক ওকাফর! ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ৪৫ বছরের অভিশাপ মুছল লিডস, রক্ষণের ভুলে ডুবল ম্যান ইউAsha Bhosle: 'এত ভালবাসার সবটাই তোমার...,' ঠাকুমার স্মৃতি আঁকড়ে আবেগঘন পোস্ট নাতনি জানাইয়েরSupreme Court DA: ডিএ নিয়ে সময়সীমা বৃদ্ধির আর্জি, বুধবার রাজ্যের মামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্টনির্বাচকদের শর্টলিস্টে বৈভব! আয়ারল্যান্ড সফরে যাওয়ার জোর সম্ভাবনা, ভাঙতে পারেন সচিনের রেকর্ডIPL 2026: ‘কাছের অনেককে বলেছিলাম, বৈভবকে প্রথম বলে আউট করব!’ কথা দিয়ে কথা রাখলেন প্রফুল্ল

এনআরএস হাসপাতালে একের পর এক চুরির ঘটনা, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন রোগীর পরিজনেরা

ফের চুরির অভিযোগ উঠল নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে (NRS Hospital)। রোগীর পরিবারের দাবি, একের পর এক চুরির ঘটনায় পুলিশ ও নিরাপত্তারক্ষীদের নিষ্ক্রিয়তা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলছে।

এনআরএস হাসপাতালে একের পর এক চুরির ঘটনা, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন রোগীর পরিজনেরা

এনআরএস হাসপাতাল

শুভম সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: 19 February 2026 13:51

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কলকাতার সরকারি (Kolkata Hospital) হাসপাতাল ঘিরে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন নতুন নয়। ফের চুরির অভিযোগ উঠল নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে (NRS Hospital)। রোগীর পরিবারের দাবি, একের পর এক চুরির ঘটনায় পুলিশ ও নিরাপত্তারক্ষীদের নিষ্ক্রিয়তা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলছে।

রাতেই ধরা পড়ে, রাতেই মুক্ত?

অভিযোগ, রাত ৯টা নাগাদ এক মহিলাকে চুরির অভিযোগে ধরে ফেলেন রোগীর আত্মীয়রা। তাঁকে তুলে দেওয়া হয় এন্টালি পুলিশের (Entally Police)  হাতে। কিন্তু পরিবারের দাবি, রাত ১১টা নাগাদই ওই মহিলাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর থেকেই নাকি তিনি রোগীর পরিজনদের হুমকি ও হেনস্থা করছেন।

এখানেই শেষ নয়। ১৯ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে আরও দু’জনকে চুরির অভিযোগে পাকড়াও করেন রোগীর আত্মীয়রা। কিন্তু ইমার্জেন্সিতে থাকা পুলিশকর্মী বা নিরাপত্তারক্ষীদের (Govt Hospital Safety) তরফে তেমন কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি বলেই অভিযোগ। সূত্রের খবর, ধৃত দু’জনের বিরুদ্ধেও এখনও পর্যন্ত কোনও মামলা রুজু হয়নি। যদিও গোটা ঘটনায় পুলিশ প্রশাসনের তরফে আনুষ্ঠানিক ভাবে কিছু জানানো হয়নি।

কী বলছেন রোগীর পরিজনরা?

এক আত্মীয়ের অভিযোগ, “বটুয়া থেকে মোবাইল-টাকা সব চুরি হয়েছে। পুলিশ চোর ধরতেই পারছে না।” আর এক জনের দাবি, “আমার ভাই ভর্তি রয়েছেন। এক ছেলেকে বারবার হাসপাতালের আশপাশে ঘোরাঘুরি করতে দেখেছি। সেই ছেলেটাই ফোন চুরি করছে। পুলিশ ধরতে পারেনি।”

নিরাপত্তাহীনতার আবহ

রোগীর পরিবারগুলির আশঙ্কা, হাসপাতালের চত্বরে দুষ্কৃতীদের অবাধ যাতায়াত তাঁদের নিরাপত্তাকে প্রশ্নের মুখে ফেলছে। রাতের বেলা পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে বলে দাবি তাঁদের।

অনেকেই আরজি কর (RG Kar Case) হাসপাতালের কথাও মনে করিয়ে দিচ্ছেন। ২০২৪-এর অগস্ট মাসের ঘটনার পর কিছুটা হলেও ছবি পাল্টেছে। কর্তব্যরত মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের নেপথ্যে নিরাপত্তার গাফিলতিকেই অনেকাংশে দায়ী করা হয়েছিল সেই সময়। নিরাপত্তা ও অন্যান্য সংস্কারের নানা দাবি তুলে পথে নেমেছিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা।

এখন কলকাতা শহরের অধিকাংশ সরকারি হাসপাতালেই নিরাপত্তা আগের চেয়ে বেড়েছে। বাড়তি সিসিটিভি-ও বসানো হয়েছে। নিরাপত্তার দায়িত্ব সিভিক ভলান্টিয়ারদের (Civic Volunteer) হাত থেকে গিয়েছে পুলিশ বা বেসরকারি নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে। তবু এনআরএস-এ চুরির ঘটনা ফের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল।


```