Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্লসামনে কাজল শেখ, মমতা কথা শুরু করতেই হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রতর! সিউড়িতে কী ঘটলEPL: নায়ক ওকাফর! ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ৪৫ বছরের অভিশাপ মুছল লিডস, রক্ষণের ভুলে ডুবল ম্যান ইউAsha Bhosle: 'এত ভালবাসার সবটাই তোমার...,' ঠাকুমার স্মৃতি আঁকড়ে আবেগঘন পোস্ট নাতনি জানাইয়েরSupreme Court DA: ডিএ নিয়ে সময়সীমা বৃদ্ধির আর্জি, বুধবার রাজ্যের মামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্টনির্বাচকদের শর্টলিস্টে বৈভব! আয়ারল্যান্ড সফরে যাওয়ার জোর সম্ভাবনা, ভাঙতে পারেন সচিনের রেকর্ডIPL 2026: ‘কাছের অনেককে বলেছিলাম, বৈভবকে প্রথম বলে আউট করব!’ কথা দিয়ে কথা রাখলেন প্রফুল্ল

এয়ার ইন্ডিয়া দুর্ঘটনায় মৃত ১৭১ জনের স্মৃতিতে ১৭১টি বৃক্ষরোপণ, বিশেষ আলোচনা সভা কলকাতায়

এয়ার ইন্ডিয়া দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে ১৭১টি গাছ রোপণ করলেন ঝর্ণা ভট্টাচার্য। ধর্ম ও মানবতার প্রশ্নে আলোচনার পাশাপাশি আয়োজন হয় এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের।

 

এয়ার ইন্ডিয়া দুর্ঘটনায় মৃত ১৭১ জনের স্মৃতিতে ১৭১টি বৃক্ষরোপণ, বিশেষ আলোচনা সভা কলকাতায়

বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠান।

শেষ আপডেট: 20 June 2025 16:27

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আমদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়া দুর্ঘটনার হৃদয়বিদারক অধ্যায়ের সেই স্মৃতিকে হৃদয়ে ধারণ করে, তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আয়োজিত হল একটি বিশেষ অনুষ্ঠান— 'কালের কবলে ১৭১'। স্থান ছিল প্রজ্ঞান ভবন, আর কেন্দ্রীয় ভূমিকায় ছিলেন সমাজসেবী ও চিন্তক ঝর্ণা ভট্টাচার্য।

এই ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানে ঝর্ণা দেবী রোপণ করলেন ঠিক ১৭১টি বৃক্ষ। গাছগুলো শুধু মাটি বা সবুজ নয়, প্রতিটি যেন এক একটি আত্মার স্মারক। তিনি বলেন, “যে প্রাণগুলো চলে গেছে, সেগুলি সূক্ষ্ম দেহে এখনও রয়েছেন। তাঁদের পার্থিব ইচ্ছা আর চাহিদাগুলো থেমে গেছে ঠিকই, কিন্তু তাঁদের আত্মিক স্পর্শ আমরা এই বৃক্ষের মাধ্যমে ছুঁয়ে থাকতে পারি।”

প্রতিটি বৃক্ষ যেন এক একটি প্রাণের প্রতীক, যা পাঁচটি মহাভূতের— জল, বায়ু, অগ্নি, পৃথিবী ও আকাশের সঙ্গে একাত্ম হয়ে আমাদের এই গ্রহকে আরও বাসযোগ্য করে তুলবে। ঝর্ণা দেবীর ভাষায়, “মৃত্যুর পরও যদি তাঁদের অস্তিত্বকে কিছুটা টিকিয়ে রাখা যায়, তবে এটাই হবে প্রকৃত শ্রদ্ধাঞ্জলি।”

অনুষ্ঠানে ছিল একটি সাংস্কৃতিক পর্ব, আর তার পরে আয়োজিত হয় একটি আলোচনা সভা। আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল সময়োপযোগী ও তীক্ষ্ণ: 'এত মন্দির, মসজিদ, গির্জা— ধর্মের এত আড়ম্বর, তবু কি ঈশ্বর তাঁর শক্তি হারাচ্ছেন?'

আলোচনায় উঠে আসে সমাজে ধর্মকে ঘিরে চলা বিদ্বেষ, রক্তপাত ও বিভাজনের চিত্র। ঝর্ণা ভট্টাচার্য বলেন, “আজ ধর্ম যেন কেবল ভোটের অঙ্কে পরিণত হয়েছে। অথচ ঈশ্বর তো নিরাকার, সর্বত্র— তবে কেন এত সংঘাত? এত বিভাজন?”

এই প্রশ্নগুলোর উত্তরের খোঁজে, এক গভীর মৌনতা ছড়িয়ে পড়ে সভাস্থলে।

পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে ছড়িয়ে ছিল এক অন্তর্নিহিত বেদনা, কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে আশার আলোও—যেখানে ধর্ম নয়, মানবতা হয়ে ওঠে কেন্দ্রবিন্দু। আর যেখানে মৃত্যুও হার মানে সবুজের সামনে।


```