এসএসসি সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যেক চাকরিপ্রার্থীকে আধার কিংবা ভোটার কার্ড (Adhar or Voter Card) নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। তা খতিয়ে দেখার পরই চাকরিপ্রার্থীদের পরীক্ষা দিতে দেওয়া হবে।
.jpeg.webp)
ফাইল চিত্র
শেষ আপডেট: 4 September 2025 00:48
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২৬ হাজার চাকরি বাতিল (26,000 Job Cancelled) ইস্যুতে জল গড়িয়েছে অনেকদূর। আগামী ৭ ও ১৪ সেপ্টেম্বর ফের পরীক্ষায় বসতে চলেছেন চাকরিহারা শিক্ষকরা। বাকি আর হাতে গোনা কয়েকটা দিন। এরমধ্যেই নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC)। সকল পরীক্ষার্থীদের জন্য আধার কার্ড কিংবা ভোটার কার্ড বাধ্যতামূলক করা হয়েছে (SSC Recruitment Exam)। ইতিমধ্যেই এই নির্দেশিকা (SSC Notice) ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
এসএসসি সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যেক চাকরিপ্রার্থীকে আধার কিংবা ভোটার কার্ড (Adhar or Voter Card) নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। তা খতিয়ে দেখার পরই চাকরিপ্রার্থীদের পরীক্ষা দিতে দেওয়া হবে। এর জন্য পরীক্ষা শুরুর ২ ঘণ্টা আগে তাঁদের পরীক্ষাকেন্দ্রে চলে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ দুপুর ১২টা থেকে পরীক্ষা শুরু হবে, প্রার্থীদের সকাল ১০টার মধ্যে নির্দিষ্ট সেন্টারে চলে যেতে হবে।
হঠাৎ এমন নির্দেশ কেন দিল এসএসসি, যা নিয়ে বিতর্ক চলছে
স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) তরফে জানা গেছে, অনলাইনে আবেদন করার সময় অনেক চাকরিপ্রার্থী সঠিক ফরম্যাটে নিজেদের ছবি ও সই আপলোড করেননি। যেহেতু অ্যাডমিট কার্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে জেনারেট হয় তাই সেইসব প্রার্থীদের অ্যাডমিটে ছবি দেওয়া সম্ভব হয়নি। এনিয়ে কমিশনের তরফে ভুল শুধরে নেওয়ার কথা বলা হলেও অনেকেই তা করেননি বলেই জানা যাচ্ছে। শেষ পর্যন্ত এই নতুন নির্দেশিকা জারি করতে হয়েছে এসএসসিকে। বিকল্প হিসেবে সকলকেই আধার কিংবা ভোটার কার্ড আনতে বলা হয়েছে, যাতে পরীক্ষার আগে তাঁদের পরিচয় যাচাই করা যায়।
এদিকে, প্রশ্ন উঠছে শুরু করেছে, যাঁরা নির্দিষ্ট ফরম্যাটে ছবি পাঠাননি তাঁদের আবেদন কেন বাতিল হল না? এর উত্তরে এসএসসি জানিয়েছে, ২০১৬ সালে যে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল, তাতে সব অ্যাডমিট কার্ডে ছবি ছিল, এবারেও চাকরিপ্রার্থীরা ছবি দিয়েছিলেন তবে ফরম্যাট ভুল ছিল। তাই সমস্যা দেখা দেয়। এইভাবে করতে গেলে অনেক আবেদনপত্র বাতিল হয়ে যেত, ফলে বিকল্প রাস্তা খুঁজতে হয়েছে।
গত শনিবার রাত ৮টা নাগাদ ১ হাজার ৮০৪ জন 'দাগি'দের নাম প্রকাশ করে এসএসসি (SSC Tainted List)। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গভীররাতে আরও দুজন সেই তালিকায় যোগ হয়। 'দাগি'দের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ৮০৬। পরে দেখা যায়, তাঁদের মধ্যে অনেকেই নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আবেদন করেছিলেন। সেইসকল 'দাগি'দের অ্যাডমিট কার্ড বাতিল করে এসএসসি। জানা যায়, ১ হাজার ৪০০ জন 'দাগি'র ২ হাজার ১৬০টি অ্যাডমিট বাতিল করা হয়েছে।
এসএসসি সূত্রেই জানা গেছে, 'দাগি' শিক্ষকদের অনেকেই নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশ উভয়ের নিয়োগ প্রক্রিয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন। তাই 'দাগি'দের তুলনায় বাতিল হওয়ার অ্যাডমিট কার্ডের সংখ্যা বেশি।