সূত্রের খবর, অর্ডার ক্যানসেল করে কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, মুরলিধর শর্মা বিধাননগরের সিপি ও ওয়াকার রাজা শিলিগুড়ির সিপি পদেই আপাতত বহাল থাকছেন।

দুই আইপিএস-কে আপাতত বদলি করছে না কমিশন
শেষ আপডেট: 19 March 2026 15:38
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভোট ঘোষণার পর (West Bengal Assembly Election 2026) রাজ্যে একাধিক রদবদল করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। তেমনই আইপিএস মুরলিধর শর্মা (IPS Murulidhar Sharma) এবং আইপিএস ওয়াকার রাজাকে (Waqar Raza) বুধবার অন্য রাজ্যের পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছিল (ECI)। সূত্রের খবর, সেই অর্ডার ক্যানসেল করে কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, মুরলিধর শর্মা বিধাননগরের সিপি ও ওয়াকার রাজা শিলিগুড়ির সিপি পদেই আপাতত বহাল থাকছেন।
এছাড়াও প্রবীন ত্রিপাঠী ও আকাশ মাঘারিয়া-সহ ৩ জন অফিসারকে রিজার্ভে রাখা হয়েছে। অর্থাৎ, তাঁদের আজ অন্য রাজ্যে পাঠানো হয়নি। তবে পরবর্তী সময় তাদের পাঠানো হলেও হতে পারে।
রোববার রাজ্যের শীর্ষ প্রশাসনিক ও পুলিশ কর্তাদের তাঁদের পদ থেকে সরানোর পর মঙ্গলবার ১২ জন পুলিশ সুপার ও ৫টি পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনারকে এবং কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) ডেপুটি কমিশনারকে পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছিল কমিশন (ECI)। বুধবার নবান্ন তাঁদের এই রাজ্যেই বিকল্প দায়িত্ব দেয়। কিন্তু ওই দিন সন্ধেতেই কমিশন নয়া নির্দেশিকা জারি করেছে। তাতে দেখা গেছে ওই ১৮ জন পুলিশ কর্তার মধ্যে অধিকাংশকেই ভোটের সময়ে বাংলায় রাখতে চাইছেন না জ্ঞানেশ কুমার (Gyanesh Kumar)। তাঁদের অন্য রাজ্যের নির্বাচনে পুলিশ পর্যবেক্ষক করে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
যে ১২ জন পুলিশ সুপার (Police Super) এবং ৫ জন পুলিশ কমিশনারকে পদ থেকে সরানো হয়েছিল, তাঁদের অনেকেই শাসক দলের ঘনিষ্ঠ বলে বিরোধীদের অভিযোগ ছিল। ওই অফিসারদের কমিশন পুলিশ সুপার পদ থেকে সরানোর পর নবান্ন এদিন তাঁদের বিকল্প দায়িত্ব দেয়।
কিন্তু নবান্ন এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রহর খানেকের মধ্যেই দিল্লির চিঠি চলে আসে কলকাতায় (Kolkata)। এই ১২ জন পুলিশ কর্তার মধ্যে অধিকাংশকেই কেরল, তামিলনাড়ু ও অসমের পুলিশ পর্যবেক্ষক করে পাঠানো হচ্ছে। যেমন মুর্শিদাবাদের সদ্য প্রাক্তন পুলিশ সুপার ধৃতিমান সরকারকে পাঠানো হচ্ছে তামিলনাড়ুতে। তেমনিই বিধাননগর কমিশনারেটে থাকা কমিশনার মুরলীধর শর্মাকেও পুলিশ অবজার্ভার করে পাঠানোর খবর সামনে এসেছিল। নাম ছিল আইপিএস ওয়াকার রাজারও।
কিন্তু বৃহস্পতিবার দেখা গেল, আইপিএস মুরুলিধর ও ওয়াকার-কে সরানোর সিদ্ধান্ত থেকে বিরত থাকল ইলেকশন কমিশন। আপাতত তাঁদের বদলির অর্ডার হোল্ড করে সিপির পদেই বহাল রাখা হল।
শুধু পুলিশ কর্তাদেরই নয়, নবান্নের আস্থাভাজন সিনিয়র আইএএস অফিসারদেরও ভোটের সময়ে অন্য রাজ্যে পর্যবেক্ষক করে পাঠানো হচ্ছে। তাঁদের মধ্যে শুধু জেলা শাসকরাই নেই, বিভিন্ন দফতরের সচিব পদের অফিসাররাও রয়েছেন।