২০১৮ সালের ২০ সেপ্টেম্বর উত্তর দিনাজপুরের দাড়িভিট স্কুলে শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ঘটনাস্থলে এসেছিল পুলিশ। অভিযোগ, সেই সময় পুলিশের গুলিতে স্কুলের দুই প্রাক্তন ছাত্র তাপস বর্মন ও রাজেশ সরকারের মৃত্যু হয়।
.jpeg.webp)
ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 6 January 2026 13:50
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দাড়িভিট মামলায় (Darivit Case) বড় ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার (State Govt)। এনআইএ তদন্তের (NIA Investigation) নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে করা রাজ্যের আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ (Calcutta High Court Division Bench)। একই সঙ্গে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, মামলার তদন্তে কোনও অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশও দেওয়া হবে না।
দাঁড়িভিট কাণ্ডে এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চ (Calcutta High Court Single Bench)। সেই নির্দেশের বিরুদ্ধেই রাজ্য সরকার ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়। রাজ্যের দাবি ছিল, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে দিয়ে তদন্তের প্রয়োজন নেই এবং এই নির্দেশের উপর অন্তত অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেওয়া হোক।
মামলার দীর্ঘ শুনানির পর মঙ্গলবার সেই আবেদন সম্পূর্ণ খারিজ করে দেয় বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য এবং বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের স্পষ্ট পর্যবেক্ষণ, দাঁড়িভিট মামলায় এনআইএ (NIA) ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে এবং সেই তদন্তে আদালত কোনওভাবেই হস্তক্ষেপ করবে না। ফলে সিঙ্গেল বেঞ্চের নির্দেশ বহাল থাকল।
২০১৮ সালের ২০ সেপ্টেম্বর উত্তর দিনাজপুরের দাড়িভিট স্কুলে শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ঘটনাস্থলে এসেছিল পুলিশ। অভিযোগ, সেই সময় পুলিশের গুলিতে স্কুলের দুই প্রাক্তন ছাত্র তাপস বর্মন ও রাজেশ সরকারের মৃত্যু হয়। যদিও পুলিশ গুলি চালানোর কথা অস্বীকার করে। এই ঘটনায় প্রথমে সিবিআই তদন্তের দাবি উঠেছিল। তবে কলকাতা হাইকোর্ট শেষমেষ এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দেয়।
প্রসঙ্গত, সিআইডি তদন্ত চলাকালীন কলকাতা হাইকোর্ট তদন্তকারী অফিসারদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছিল। ওই ঘটনার তদন্ত শেষ করতে সিআইডির চার বছর কেন সময় লাগল, সেই প্রশ্ন তুলেছিল আদালত।
একই সঙ্গে, সিআইডি-র দেওয়া রিপোর্ট নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল হাইকোর্ট। কারণ তাঁদের রিপোর্টে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ছিল না বলেই অভিযোগ ওঠে। তাছাড়া সিআইডি কিছু তথ্য এনআইএ-র হাতে তুলে দেয়নি বলেও জানা যায়।