২০১১ সালে হুগলির গোঘাটে সাউড়া ইউনিয়ন হাইস্কুল স্কুল পরিচালন কমিটির নির্বাচন ছিল। অভিযোগ, ওই নির্বাচনকে ঘিরে গোলমাল হয়। সেখানেই তৃণমূল কর্মী শেখ নইমুদ্দিনকে প্রকাশ্যে গুলি করে খুন করা হয়।

ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 24 June 2025 15:10
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ১৪ বছরের আইনি লড়াইয়ের পর গোঘাটের তৃণমূল কর্মী (TMC worker, Goghat) খুনে আইনি সাজা শোনাল আদালত। তৃণমূল কর্মী খুনে প্রধান অভিযুক্ত সিপিএম সমর্থককে ফাঁসির নির্দেশ দিল আরামবাগ মহকুমা আদালত (Arambagh Court)।
একই সঙ্গে ওই খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত আরও ১৮ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। মঙ্গলবার দুুপুরে আদালতের রায় সামনে আসতেই এলাকার রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে যায়। নিম্ন আদালতের নির্দেশের বিরুদ্ধে অভিযুক্তরা উচ্চ আদালতে আবেদন জানাবেন বলে জানিয়েছেন।
২০১১ সালে হুগলির গোঘাটে সাউড়া ইউনিয়ন হাইস্কুল স্কুল পরিচালন কমিটির নির্বাচন ছিল। অভিযোগ, ওই নির্বাচনকে ঘিরে গোলমাল হয়। সেখানেই তৃণমূল কর্মী শেখ নইমুদ্দিনকে প্রকাশ্যে গুলি করে খুন করা হয়।
নিহতের স্ত্রী তাহেরা বেগম পুলিশের কাছে ৩০ জনের নামে অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্তে নেমে পুলিশ ২৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে। ওই মামলায় আদালত আগেই মোট ১৯ জনকে দোষী সাব্যস্ত করেছিল। ওই মামলায় প্রধান অভিযুক্ত সিপিএম সমর্থককে বলদেব পালের ফাঁসির নির্দেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে বাকি ১৮ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
এ ব্যাপারে আরামবাগ মহকুমা আদালতের সরকারি আইনজীবী শঙ্কর গঙ্গোপাধ্যায়, বলেন, নইমুদ্দিনকে যেভাবে খুন করা হয়েছিল, তা বিরলতম ঘটনা। সে কারণেই ফাঁসির সাজা শুনিয়েছেন বিচারক।
এদিন রায়দানের সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন নিহতর স্ত্রী তাহেরা বেগম। তিনি বলেন, অবশেষে স্বামীর খুনে দোযীদের কঠোর শাস্তি হল। যদিও অভিযুক্তদের তরফে উচ্চ আদালতে আবেদন জানানো হবে বলে জানানো হয়েছে।