প্রসঙ্গত, আগামী ৪ নভেম্বর মঙ্গলবার থেকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনুমারেশন ফর্ম বিতরণ করবেন বিএলও-রা (BLO)। ভোটারদের নির্দিষ্ট তথ্য সংগ্রহ এবং ফর্ম ফিল-আপ করার কাজ চলবে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 31 October 2025 11:21
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যে এসআইআর (West Bengal SIR) সংক্রান্ত কাজ শুরু হয়ে গেছে। আগামী ৪ নভেম্বর থেকে বাড়ি বাড়ি এনুমারেশন ফর্ম নিয়ে যাবেন বিএলও-রা (BLO)। কিন্তু তার আগেই কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দৃষ্টি আকর্ষণ করা হল এসআইআর নিয়ে। মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের ডিভিশন বেঞ্চ।
পশ্চিমবঙ্গ সহ ১২ রাজ্যে ঘোষণা করা হয়েছে এসআইআর (SIR)। কিন্তু স্বাভাবিকভাবেই দেখা যাচ্ছে, বাংলাতেই এই ইস্যু নিয়ে হইচই সবচেয়ে বেশি। আর তার জল গড়াল উচ্চ আদালত পর্যন্ত। মামলাকারী এসআইআর নিয়ে একাধিক দাবি করেছেন। তার মধ্যে অন্যতম, আদালতের নজরদারিতে এসআইআর প্রক্রিয়া হোক।
মামলাকারী এও চান, এসআইআরের সময়সীমা (Deadline) বৃদ্ধি করা হোক। পাশাপাশি এও দাবি, কেন এসআইআর করা হচ্ছে, এসআইআর করার প্রয়োজন কী, তা বিস্তারিতভাবে আদালতের কাছে জানাক জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI)। এছাড়া ২০০২ সালের ভোটার তালিকা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করুক তারা, এও আর্জি জানানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, আগামী ৪ নভেম্বর মঙ্গলবার থেকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনুমারেশন ফর্ম বিতরণ করবেন বিএলও-রা (BLO)। ভোটারদের নির্দিষ্ট তথ্য সংগ্রহ এবং ফর্ম ফিল-আপ করার কাজ চলবে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ৯ ডিসেম্বর খসড়া তালিকা (Draft Voter List) প্রকাশ পাবে। ঠিক এর পরবর্তী সময়ে অর্থাৎ ৯ ডিসেম্বর থেকে ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে অভিযোগ জমা নেওয়ার পর্ব। ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত তিন ধাপে অভিযোগ সংক্রান্ত শুনানি হবে।
যারা কোনও কারণবশত ফর্ম ফিল-আপ করতে পারবেন না, বা যাদের বাড়িতে গিয়ে বিএলও-রা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে পাবে না অথবা অন্য কোনও কারণে এনুমারেশন ফর্ম ফিল-আপ হবে না, তাঁরা অভিযোগ জানাতে পারবেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ইআরও ও এইআরওর নেতৃত্বে এই শুনানি সম্পন্ন হবে। আপিলের সুযোগও থাকছে - প্রথমে জেলা শাসকের কাছে, পরের ধাপে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের কাছে।
খসড়া তালিকায় নাম ওঠার পর ২০০২ সালের তালিকার সঙ্গে ব্যক্তির নাম বা তাঁর পরিবারের সদস্যর সম্পর্ক 'ম্যাচিং' করা হবে। যাদের 'ম্যাচিং' হয়ে যাবে তাঁদের না নোটিস দেওয়া হবে, না নথি চাওয়া হবে। কিন্তু যাদের নাম বা যাদের পরিবারের কোনও সদস্যের নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় থাকবে না, তাঁদেরই নোটিস পাঠিয়ে উপযুক্ত নথি দেখতে চাইবেন নির্বাচনী আধিকারিকরা।
সবশেষে ৭ ফেব্রুয়ারী চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ।