অভিযোগ, সৎমায়ের অত্যাচারে দিশেহারা ১৪ বছরের ছাত্রী। বাড়ি না ফিরে আশ্রয় নেয় থানায়। তদন্তে নেমেছে ক্যানিং থানার পুলিশ।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 3 August 2025 12:14
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মায়ের মৃত্যু হয়েছে আগেই। বাবাও নতুন সংসার পাতিয়েছেন। কিন্তু সেই সৎমায়ের অত্যাচারে অর্ধেক জীবন যেন শেষ হয়ে যাচ্ছে চতুর্দশী এক ছাত্রীর। দিনরাত খাটুনি, গায়ে হাত, আর না পেরে শেষমেশ আশ্রয় নিতে হল পুলিশের কাছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং থানায় দাঁড়িয়ে নিজের যন্ত্রণার কথা জানাল অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী।
নাজিরা মোল্লা। বয়স ১৪। ক্যানিংয়ের থুমকাঠি জুনিয়র হাই স্কুলে পড়ে সে। তার অভিযোগ, পড়াশোনা বা খেলাধুলার মতো স্বাভাবিক ছেলেবেলার কিছুই নেই জীবনে। ছোট থেকেই হাতেখড়ি হয়েছে বাসন মাজা, ঘর মোছা, আনাজ কাটা, রান্নার টুকটাক কাজ আর সৎমায়ের তিরস্কার। পান থেকে চুন খসলেই গালিগালাজ, এমনকি মারধর।
শুক্রবার রাতেও নাজিরার উপর অমানুষিক অত্যাচার করেন তার সৎমা মামনি মোল্লা। ভয়ে, কান্নায় গলা শুকিয়ে গিয়েছিল মেয়েটির। তাই আর বাড়ি ফেরেনি সে। স্কুল থেকে সোজা চলে যায় ক্যানিং থানায়। পুলিশের সামনে বসে খুলে বলে সমস্ত অত্যাচারের কাহিনি।
পুলিশ সূত্রে খবর, নাজিরার অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। থানায় ডেকে পাঠানো হয়েছে তার বাবা ও সৎমাকে। জিজ্ঞাসাবাদও করা হচ্ছে তাঁদের। নাবালিকার মানসিক অবস্থার কথা মাথায় রেখে আপাতত ক্যানিং থানার তরফে তার কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।