Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কাস্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র‘একজনকে ধরলে হাজার জন বেরোবে...’, আইপ্যাক ডিরেক্টর গ্রেফতারের পরই নাম না করে হুঁশিয়ারি মমতার

বাঁচতে চেয়ে প্রতিস্থাপন করেছিলেন কিডনি, শরীরে এল মারাত্মক সংক্রমণও! বিপন্ন প্রৌঢ়ের জীবন

বাঁচতে চেয়ে প্রতিস্থাপন করেছিলেন কিডনি, শরীরে এল মারাত্মক সংক্রমণও! বিপন্ন প্রৌঢ়ের জীবন

প্রতীকী ছবি (গুগল)

শেষ আপডেট: 21 June 2025 15:47

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ৬১ বছর বয়সে কিডনি প্রতিস্থাপনের (Kidney Transplant of a 61 year old man) পর নতুনভাবে জীবনে বাঁচার আশা দেখেছিলেন প্রৌঢ়। হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে ভেবেছিলেন হয়তো এবার সুস্থ হচ্ছেন। কিন্তু দু'মাসের মধ্যেই ছন্দপতন। ফের ভর্তি হতে হয় হাসপাতালে। দুর্বলতা, বমি, অতিরিক্ত জলতৃষ্ণা, ঘন ঘন প্রস্রাব- একাধিক উপসর্গ দেখা যায় তাঁর শরীরে। পরে ধরা পড়ে, কিডনির মাধ্যমে ওই ব্যক্তির শরীরে ঢুকে পড়েছে কৃমি।

'নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অফ মেডিসিন'-এ (New England Journal of Medicine) প্রকাশিত একটি রিপোর্টে এই ঘটনাটি জানা গিয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, কিডনি প্রতিস্থাপনের কয়েক সপ্তাহ পরই রোগীর  (Kidney Transplant of a 61 year old man) রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা কমতে থাকে এবং ফুসফুসে জল জমে যায়। এমনকি ফিডিং টিউব বসানো সত্ত্বেও তাঁর অবস্থা অবনতি ঘটতে থাকে।

সংক্রমণ সংক্রান্ত বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ক্যামিল কটন লক্ষ্য করেন, রোগীর রক্তে ইওসিনোফিলের মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাচ্ছে। একইসঙ্গে তাঁর পেটের অংশের চামড়ায় লালচে-বেগুনি রঙয়ের র‍্যাশ দেখা গিয়েছে। তখনই চিকিৎসকে সন্দেহ হয়, রোগীর শরীরে 'Strongyloides stercoralis' নামের একটি ভয়ানক পরজীবী কৃমি বাসা বেঁধেছে। এটি মূলত অন্ত্রনালিতে বাসা বাঁধে এবং শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, যিনি কিডনি দিয়েছেন, ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের বাসিন্দা যেখানে এই কৃমি বেশি দেখা যায়। দাতার রক্তে পরবর্তীতে কৃমির প্রতিরোধক পাওয়া যায়, যা প্রমাণ করে তিনি আগে সংক্রমিত হয়েছিলেন। অথচ প্রতিস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় রক্ত পরীক্ষায় এই কৃমির কোনও চিহ্ন ছিল না। চূড়ান্ত পরীক্ষা করার পর তাঁর ফুসফুস ও মল থেকে কৃমির লার্ভা পাওয়া যায়।

এই মারাত্মক সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয় 'আইভারমেকটিন' নামের একটি 'ডিওয়ার্মিং' ওষুধ (কৃমি প্রতিরোধক), যা সাধারণত খাওয়ার জন্যই অনুমোদিত। তবে ওই রোগীর ক্ষেত্রে শরীরে ইনজেকশনের মাধ্যমে প্রয়োগের জন্য বিশেষ অনুমতি নেওয়া হয়।

এই ওষুধের প্রভাবে ধীরে ধীরে সুস্থ হতে থাকেন রোগী। ঠিক তখনই খবর আসে, দাতার অন্য কিডনি যিনি পেয়েছেন, সেই রোগীও একই রকমভাবে কৃমি বাসা বেঁধেছে। চিকিৎসকেরা একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং দুই রোগীই শেষপর্যন্ত সুস্থ হয়ে ওঠেন।


```