Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র‘একজনকে ধরলে হাজার জন বেরোবে...’, আইপ্যাক ডিরেক্টর গ্রেফতারের পরই নাম না করে হুঁশিয়ারি মমতারনববর্ষে বাঙালিয়ানার ষোলো আনা স্বাদ! ঢাকাই কালো ভুনা থেকে আম পেঁয়াজির যুগলবন্দি, মিলবে এই রেস্তরাঁয়‘কোভিড ভ্যাকসিনই হার্ট অ্যাটাকের কারণ!’ শেন ওয়ার্নের মৃত্যু নিয়ে ছেলের মন্তব্যে নতুন বিতর্ক এবার রক্তদান শিবিরেও কমিশনের ‘নজরদারি’! রক্তের আকাল হলে কী হবে রোগীদের? প্রশ্ন তুললেন কুণালমারাঠি না জানলে বাতিল হবে অটো-ট্যাক্সির লাইসেন্স! ১ মে থেকে কড়া নিয়ম মহারাষ্ট্রে

২০ বছরে প্রথমবার ইরানি হামলায় ধ্বংস মার্কিন যুদ্ধবিমান, শেষবার এমন হয়েছিল ইরাক যুদ্ধে

বিশেষজ্ঞদের মতে, এতদিন মার্কিন বাহিনী মূলত এমন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে, যাদের আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ছিল না। ফলে তাঁদের যুদ্ধবিমান ধ্বংসের ঘটনা খুবই বিরল হয়ে উঠেছিল।

২০ বছরে প্রথমবার ইরানি হামলায় ধ্বংস মার্কিন যুদ্ধবিমান, শেষবার এমন হয়েছিল ইরাক যুদ্ধে

ফাইল ছবি

সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: 4 April 2026 11:05

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আরব দুনিয়ার সংঘাত (Middle East Tension) নতুন মোড় নিয়েছে ইরানের পাল্টা আঘাতে। প্রায় দু'দশকের মধ্যে এই প্রথমবার ইরানের হামলায় মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংসের (US Jets Shot Down By Iran) ঘটনা সামনে এল। ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর হামলায় দুটি মার্কিন সামরিক বিমান ধ্বংস হয়েছে বলে জানা গিয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মহলে গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মার্কিন প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, একটি যুদ্ধবিমানে হামলা হওয়ার পর এক সেনা জওয়ানকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে, তবে আরেকজনের খোঁজ এখনও চলছে। অন্যদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় মাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, আরও একটি মার্কিন বিমানও তাদের হামলায় ধ্বংস হয়েছে।

এই ঘটনা এমন এক সময় ঘটল, যখন মাত্র পাঁচ সপ্তাহ আগেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ব্যাপক আঘাত হানা হয়েছিল। সেই প্রেক্ষিতে মার্কিন নেতৃত্ব দাবি করেছিল, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ক্ষমতা অনেকটাই কমে গিয়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিক এই পাল্টা হামলা দেখিয়ে দিল, ইরান এখনও প্রতিরোধ গড়ে তোলার মতো সক্ষমতা ধরে রেখেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এতদিন মার্কিন বাহিনী মূলত এমন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে, যাদের আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ছিল না। ফলে তাঁদের যুদ্ধবিমান ধ্বংসের ঘটনা খুবই বিরল হয়ে উঠেছিল। কিন্তু ইরানের মতো রাষ্ট্রীয় শক্তির ক্ষেত্রে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। এখানে উন্নত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাকায় আকাশপথে ঝুঁকিও অনেক বেশি।

ধারণা করা হচ্ছে, তুলনামূলক নীচু উচ্চতায় উড়ানের সময় বিমানগুলি হামলার শিকার হয়েছে। এই অবস্থায় ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত এড়ানো কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে বহনযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রের মতো অস্ত্র শনাক্ত করা অনেক সময়ই দুঃসাধ্য হয়ে ওঠে, যা এই ঘটনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে থাকতে পারে।

যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এমন ঘটনা শুধু সামরিক দিক থেকেই নয়, রাজনৈতিক দিক থেকেও বড় প্রভাব ফেলে। কারণ দীর্ঘদিন ধরে প্রায় ক্ষয়ক্ষতিহীন যুদ্ধের অভিজ্ঞতায় অভ্যস্ত মার্কিন সমাজে এই ধরনের ক্ষতি সহজে গ্রহণযোগ্য নয়। ফলে অভ্যন্তরীণ চাপও বাড়তে পারে।

ইতিহাস বলছে, শেষবার ২০০৩ সালে ইরাক যুদ্ধের সময় একটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছিল। সেই তুলনায় বর্তমান ঘটনা অনেক বেশি তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এটি সরাসরি দুই রাষ্ট্রের মধ্যে সংঘর্ষের প্রেক্ষিতে ঘটেছে।

এদিকে উদ্ধার অভিযানে নামা বাহিনীর ভূমিকাও বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। শত্রু অঞ্চলের মধ্যে গিয়ে বিপদের মুখে উদ্ধারকাজ চালানো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তবু সেই দায়িত্ব পালন করেছেন সেনাকর্মীরা, যা সামরিক মহলে প্রশংসিত হচ্ছে।

সব মিলিয়ে, ইরানের এই পদক্ষেপ প্রমাণ করে দিয়েছে যে দীর্ঘদিনের চাপ ও হামলার পরেও তারা পুরোপুরি ভেঙে পড়েনি। বরং সুযোগ পেলে পাল্টা আঘাত হানার ক্ষমতা এখনও বজায় রেখেছে। এই পরিস্থিতি আগামী দিনে সংঘাতকে আরও তীব্র করতে পারে বলেই আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।


```