সুপ্রিম কোর্টের রায় উপেক্ষা করে ট্রাম্প জানান, বিদেশি শুল্ক নাগরিকদের উপর আর্থিক চাপ কমাবে এবং আয়কর ব্যবস্থায় প্রভাব ফেলবে।

ট্রাম্প ট্যারিফ
শেষ আপডেট: 25 February 2026 10:16
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আমেরিকানদের সুবিধা এবং আর্থিক চাপ কমানোর উদ্দেশ্যেই অন্যান্য দেশের উপর শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। শুল্ক নীতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায় পাওয়ার পরও, বুধবার মার্কিন কংগ্রেসে বার্ষিক ‘স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন’ (State of the Nation address) ভাষণে ডোনাল্ড ট্রাম্প (US President, Donald Trump) নিজেকে সাফাইমুক্ত রাখলেন। শীর্ষ আদালতের রায়কে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ আখ্যা দিয়ে তিনি নাগরিক কল্যাণকেই নীতির মূল ভিত্তি হিসেবে তুলে ধরলেন। তাঁর মতে, আমেরিকার নাগরিকদের আর্থিক চাপ হ্রাস করতে এই ‘reciprocal tariff’ নীতি কার্যকর হবে। বিদেশি রাষ্ট্র থেকে শুল্কের মাধ্যমে প্রাপ্ত আয় আমেরিকার জনগণের উপর থেকে আর্থিক বোঝা কমিয়ে দেবে।
কংগ্রেসে ভাষণ দিতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, বিদেশি দেশগুলি যে শুল্ক দেবে, তা ভবিষ্যতে আমাদের দেশের আধুনিক আয়কর ব্যবস্থাকে (modern-day income tax system) উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করবে এবং আমার জনগণের উপর থেকে বিরাট আর্থিক চাপ দূর করবে।”
উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট পদে বসার পর ট্রাম্পের সবচেয়ে বড় কৌশল ছিল ‘ট্যারিফ’ (Trump Tariff)। কিন্তু গত শুক্রবার সুপ্রিম কোর্ট এই ট্যারিফকে বেআইনি ঘোষণা করেছে। প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস উল্লেখ করেছিলেন, “ট্যারিফ আরোপের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট তার ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছেন।” ৯ বিচারপতির বেঞ্চে চলা মামলায় ৬ জন বিচারপতি ট্যারিফকে বেআইনি ঘোষণা করেন, বাকি ৩ জনের রায় ছিল ট্যারিফের পক্ষে।
তবুও ট্রাম্প সুপ্রিম কোর্টের রায় উপেক্ষা করে দুই দফায় নতুন করে ১৫ শতাংশ ট্যারিফ আরোপ করেছিলেন এবং হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, “রায় নিয়ে খেলবেন না।” পরে মঙ্গলবার ইউনাইটেড স্টেটস কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন (United States Customs and Border Protection) এজেন্সি জানায়, ট্যারিফের হার চূড়ান্তভাবে ১০ শতাংশ হবে, ১৫ শতাংশ নয়। এই অতিরিক্ত ট্যারিফ ২৪ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে কার্যকর হবে।