হোয়াইট হাউসের কয়েক ব্লক দূরে এলোপাথাড়ি গুলিতে মৃত দু’জন ন্যাশনাল গার্ড সদস্য। মেট্রোপলিটন পুলিশ ইতিমধ্যেই এক সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছে।

ফাইল চিত্র
শেষ আপডেট: 27 November 2025 08:09
দ্য ওয়াল ব্যুরো: হোয়াইট হাউসের (White House) কয়েক ব্লক দূরে ডাউনটাউন এলাকায় বৃহস্পতিবার ভোররাতে এক অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকবাজের এলোপাথাড়ি গুলিতে মৃত দু'জন ন্যাশনাল গার্ড (National Guard) সদস্য। এই গুলির লড়াইয়ের ঘটনায় এলাকায় চরম চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মেট্রোপলিটন পুলিশ (Metropolitan Police) ইতিমধ্যেই একজন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছে।
Breaking news: Both National Guardsmen who were shot near the White House have died, officials confirm. They were from West Virginia.
D.C. police say they have the suspect in custody.
Follow updates: https://t.co/tm8EhnjyaB— The Washington Post (@washingtonpost) November 26, 2025
জানা গিয়েছে, হোয়াইট হাউসের কাছাকাছি এলাকায় টহল দেওয়ার সময় দুই ন্যাশনাল গার্ড সদস্যকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন ওই বন্দুকবাজ। ন্যাশনাল গার্ড সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালালে এলাকায় রীতিমতো গুলির লড়াই শুরু হয়ে যায়।
মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, আহত দুই ন্যাশনাল গার্ড সদস্যের মধ্যে একজন মহিলা। তাঁদের রক্তাক্ত অবস্থায় অ্যাম্বুল্যান্সে তোলার ছবি সামনে এলেও, তাঁদের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথমে কিছু জানানো হয়নি। তবে এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, তাঁরা মৃত।
ঘটনার সময় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) থ্যাঙ্কসগিভিং উদযাপন করতে ফ্লোরিডায় থাকলেও, তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে পুরো ঘটনার কথা জানানো হয়। হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট নিশ্চিত করেন যে প্রেসিডেন্ট এই ঘটনার ওপর নজর রাখছেন।
ঘটনার পরেই ট্রাম্প তাঁর ট্রুথ সোশ্যাল (Truth Social) প্ল্যাটফর্মে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে লেখেন, “দুই ন্যাশনাল গার্ড সদস্যের চিকিৎসা চলছে। যিনি গুলি চালিয়েছেন, তিনিও গুরুতর আহত। তবে তাঁকে ছাড়া হবে না। বড় মূল্য চোকাতে হবে। আমি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসাবে আমাদের ন্যাশনাল গার্ড, সেনা এবং পুলিশের সমস্ত সদস্যের পাশে আছি।”
উল্লেখ্য, চলতি বছরেই রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি-তে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব ন্যাশনাল গার্ডের হাতে তুলে দিয়েছিলেন ট্রাম্প, যার পর থেকেই হোয়াইট হাউসের সামনেও তাঁরা মোতায়েন ছিলেন। এত কড়া নিরাপত্তার মধ্যেও এই হামলা ঘটল কী করে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।