গাজা শান্তি চুক্তি কার্যকর হওয়ার মুখে সোমবার ইহুদি রাষ্ট্রে পা রাখছেন ট্রাম্প।

ইজরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হেরগোজ জানান, দেশ মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত করবে।
শেষ আপডেট: 13 October 2025 10:22
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দুধের স্বাদ ঘোলে। নোবেল না জুটলেও আমেরিকার স্যাঙাৎ ইজরায়েল দেশের সর্বোচ্চ সম্মান দেবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। গাজা শান্তি চুক্তি কার্যকর হওয়ার মুখে সোমবার ইহুদি রাষ্ট্রে পা রাখছেন ট্রাম্প। শুধু ইজরায়েলই নয়, এই সফরে তিনি মধ্য-পূর্বের বেশ কয়েকটি দেশে যাবেন, যার মধ্যে প্রথমেই যাচ্ছেন প্যালেস্তাইনকে শ্মশানে পরিণত করা বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দেশে।
ট্রাম্পের সফরের ঠিক প্রাক মুহূর্তে ইজরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হেরগোজ জানান, দেশ মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত করবে। ২ বছর ধরে চলা হামাস-ইজরায়েল যুদ্ধ বন্ধ করা এবং হামাসের হাতে বন্দি মুক্তির সাফল্যের জন্য ইজরায়েলের রাষ্ট্রপতির মেডেল অফ অনার দিয়ে সম্মানীত করা হবে ট্রাম্পকে। রাষ্ট্রপতির অফিস থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের অক্লান্ত চেষ্টায় প্রেসিডেন্ট শুধু আমাদের দেশের প্রিয় মানুষগুলিকে ফিরিয়ে আনছেন না, তিনি মধ্য-পূর্ব অঞ্চলে এক নতুন যুগের ভিত রচনা করেছেন। নিরাপত্তা, সহযোগিতা এবং শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যতের সত্যিকারের আশা জাগিয়েছেন ট্রাম্প।
প্রেসিডেন্ট হেরগোজ আরও বলেছেন, ট্রাম্পকে ইজরায়েলি প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অফ অনার দিতে পেরে আমি নিজেকে সম্মানীত মনে করছি। সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইজরায়েলি রাষ্ট্রপতির এই মেডেল দেশের সর্বোচ্চ সম্মান। যা দেওয়া হয় দেশের জন্য অনন্য কাজের অথবা মানবিকতার প্রতি অসাধারণ কোনও কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ।
প্রসঙ্গত, নোবেল পাওয়া নিয়ে ট্রাম্পের যে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার উপর হিংসে ছিল, এই সম্মানে তাও কিছুটা প্রশমিত হবে। কারণ, ২০১৩ সালে ওবামাকেও ইজরায়েল এই একই সম্মান দিয়েছিল। সেবার ওবামা ইজরায়েলকে শক্তিশালী করে গড়ে তোলা ও সুরক্ষা দেওয়ার কারণে এই সম্মান পেয়েছিলেন। তিনিই ছিলেন এই সম্মানে ভূষিত প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
সোমবারেই ট্রাম্প ইজরায়েলে পা রাখছেন। কিন্তু, তিনি সম্মানটি পাবেন আগামী কয়েক মাসের মধ্যে। তবে তিনি এলে তাঁকে এই সুখবরটি জানানো হবে জানিয়েছে ইজরায়েলি প্রেসিডেন্টের অফিস। ট্রাম্প চার ঘণ্টার সফরে এসে ইজরায়েলের পার্লামেন্টে ভাষণ দেবেন। এবং হামাসের হাতে বন্দি থাকা ব্যক্তিদের মুক্তির পর তাঁদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে পারেন।