অক্টোবর ১৪, ২০২৫ থেকে উইন্ডোজ ১০-এর সিকিওরিটি আপডেট বন্ধ হচ্ছে। জানুন কী প্রভাব পড়বে আপনার কম্পিউটার ও নিরাপত্তার ওপর এবং কীভাবে আপগ্রেড করা উচিত।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 3 October 2025 18:54
দ্য ওয়াল ব্যুরো: অক্টোবর ১৪, ২০২৫ থেকে আর উইন্ডোজ ১০-এ কোনও সিকিওরিটি আপডেট, টেকনিক্যাল ফিক্স বা নতুন ফিচার দেবে না মাইক্রোসফট। অর্থাৎ, পৃথিবীজুড়ে যাঁরা এখনও উইন্ডোজ ১০ ব্যবহার করছেন, তাঁদের জন্য এটা কার্যত সতর্কবার্তা।
২০১৫ সালে চালু হওয়া উইন্ডোজ ১০ এখন এসে পৌঁছেছে তার লাইফসাইকেলের শেষ ধাপে। মাইক্রোসফট ব্যবহারকারীদের জানানো হয়েছে, তাঁরা যেন দ্রুত উইন্ডোজ ১১-তে আপগ্রেড করেন। সংস্থাটি এক বছরের জন্য অতিরিক্ত সাপোর্ট দেবে ঠিকই, তবে সেই পরিষেবা পেতে খরচ করতে হবে ব্যবহারকারীদের।
কম্পিউটার কি বন্ধ হয়ে যাবে?
সাপোর্ট শেষ মানে এই নয় যে উইন্ডোজ ১০ চালু হবে না। কম্পিউটার চলবে ঠিকই, কিন্তু সিকিওরিটি আপডেট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় হ্যাকারদের সহজ টার্গেটে পরিণত হতে পারে। বিশেষ করে যাঁরা নিয়মিত সিস্টেম আপডেট করেন না, তাঁদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি আরও বেশি।
সব কম্পিউটারে উইন্ডোজ ১১ চালানো সম্ভব নয়। পুরনো মেশিনে যথেষ্ট ব়্যাম, টিভিএম ২.০ বা সাপোর্টেড প্রসেসর না থাকলে আপগ্রেড করা যাবে না। এ ক্ষেত্রে বিকল্প হিসেবে ব্যবহারকারীরা লিনাক্স বা ক্রোম ওএস বেছে নিতে পারেন।
আইটি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখনই পরিকল্পনা করে ফেলুন। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব উইন্ডোজ ১১-তে আপগ্রেড করাই নিরাপদ। নতুন সিকিওরিটি আপডেটের পাশাপাশি মিলবে অতিরিক্ত ফিচার আর ভাল পারফরম্যান্স। ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলির জন্য এই পরিবর্তন আরও জরুরি, কারণ ডেটা আর নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা বজায় রাখা কোম্পানির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এদিকে কনজিউমার রিপোর্টস সরাসরি মাইক্রোসফট সিইও সত্য নাদেলাকে চিঠি লিখেছে। তাঁদের দাবি, উইন্ডোজ ১০-এর বিনামূল্যের সাপোর্ট বন্ধ হলে কোটি কোটি ব্যবহারকারীর পিসি সাইবার আক্রমণের ঝুঁকিতে পড়ে যাবে। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী এখনও প্রায় ৪৬.২ শতাংশ মানুষ উইন্ডোজ ১০ ব্যবহার করছেন।
অতএব, সময় থাকতে সাবধান হওয়া জরুরি। উইন্ডোজ ১১-তে আপগ্রেড করুন, নয়তো বিকল্প অপারেটিং সিস্টেমের দিকে ঝুঁকতে হবে—এমনটাই ইঙ্গিত দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।