এই ঐতিহাসিক কাজটি করে ফেলেছে লরেন্ট সাইমনস। সেই সঙ্গে মাথায় পরে নিয়েছে বিশ্বের অন্যতম সর্বকনিষ্ঠ পিএইচডি উপাধিধারকের মুকুট।

কোয়ান্টাম ফিজিক্সে পিএইচডি লাভ করেছে বেলজিয়ামের ‘খুদে আইনস্টাইন’ সাইমনস।
শেষ আপডেট: 3 December 2025 13:58
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ‘খুদে আইনস্টাইন’ বলে ডাকে তাকে লোকে। যে বয়সে মাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়ার কথা, সেই বয়সে পিএইচডি বা ডক্টরেট করে ফেলল সে। এই ঐতিহাসিক কাজটি করে ফেলেছে লরেন্ট সাইমনস। সেই সঙ্গে মাথায় পরে নিয়েছে বিশ্বের অন্যতম সর্বকনিষ্ঠ পিএইচডি উপাধিধারকের মুকুট। তাও আবার যে সে বিষয়ে নয়, কোয়ান্টাম ফিজিক্সে পিএইচডি লাভ করেছে বেলজিয়ামের ‘খুদে আইনস্টাইন’ সাইমনস।
গত মাসের শেষ সপ্তাহে এই ‘বিস্ময় বালক’ সাইমনস বেলজিয়ামের অ্যান্টওয়ের্প বিশ্ববিদ্যালয়ে তার গবেষণাপত্রের শেষতম প্রশ্নোত্তর পর্ব বা কাউন্সেলিংয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। সাইমনসের আইকিউ লেভেল অন্তত ১৪৫। পিএইচডি পাওয়ার পর সে জানিয়েছে, এখন তার লক্ষ্য ‘সুপার-হিউম্যান’ তৈরি করা। ব্রাসেলস টাইমসের খবর অনুযায়ী, সাইমনস প্রথম জনপ্রিয়তা পায় ১২ বছর বয়সে। যখন সে পদার্থবিদ্যায় স্নাতকোত্তর হয়। তিন বছরের কোর্স সে মাত্র ১৮ মাসে শেষ করে ফেলে।
সেই সময় তার বাবা-মা অ্যালেকজান্ডার ও লিডিয়া জানান, তাঁদের ছেলেকে আমেরিকা ও চিনের তথ্যপ্রযুক্তির শীর্ষ কোম্পানিগুলি তাদের গবেষণা কেন্দ্রে উচ্চতর শিক্ষার জন্য নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। সাইমনস তার ইনস্টাগ্রাম পোস্টে লিখেছে, ইটস অফিসিয়াল, ডঃ সাইমনস! সদ্য তার পিএইচডি শেষ করে ফেলেছে!!! উপরে ওঠার একটাই পথ। সঙ্গে সঙ্গে দুনিয়া জোড়া তারিফে ভরে গিয়েছে তার কৃতিত্ব।
লরেন্টের প্রাথমিক স্কুল জীবন শুরু হয় মাত্র চার বছর বয়সে। এবং ৬ বছর বয়সেই প্রাথমিকের গণ্ডি পেরিয়ে যায় সে। ১২ বছরেই সে স্নাতকোত্তর পর্ব শেষ করে কোয়ান্টাম ফিজিক্সে। তার বিষয় ছিল বোসনস ও ব্ল্যাক হোলস। সাইমনসের শিক্ষকদের অভিজ্ঞতা হল, সে অসাধারণ মেধার এবং বিজ্ঞানোত্তর প্রশ্ন তার মাথায় ঘোরাফেরা করে।
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের খাতা বলছে, সাইমনসই সর্বকনিষ্ঠ পিএইচডি ডিগ্রিধারী নয়। ১৮১৪ সাল মাত্র ১৪ বয়সে জার্মান ছাত্র কার্ল উইট ডক্টরেট করেছিল।