সঞ্জয় কাপুরের মৃত্যুর পর আরকে ফ্যামিলি ট্রাস্ট নিয়ে শুরু আইনি জট।

করিশ্মা কাপুর, সঞ্জয় কাপুর, প্রিয়া কাপুর
শেষ আপডেট: 25 March 2026 17:03
দ্য ওয়াল ব্যুরো: করিশ্মা কাপুরের প্রাক্তন স্বামী সঞ্জয় কাপুর-এর (Sanjay Kapoor) মৃত্যুর পর থেকেই তাঁর সম্পত্তি ও পারিবারিক ট্রাস্টকে ঘিরে জটিল আইনি লড়াই শুরু হয়েছে। সঞ্জয়ের তৃতীয় স্ত্রী প্রিয়া কাপুর-এর (Priya Kapoor) বিরুদ্ধে উঠেছে গুরুতর অভিযোগ—তিনি নাকি স্বামীর কয়েক কোটির সম্পত্তি একাই নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছেন। এই নিয়ে ইতিমধ্যেই দিল্লি হাই কোর্ট-এ মামলা চলছে, আর ‘আরকে ফ্যামিলি ট্রাস্ট’ ঘিরে বিরোধ আরও তীব্র হয়েছে।
সংবাদসংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, ‘আরকে ফ্যামিলি ট্রাস্ট’-এর অন্যতম সদস্য প্রিয়া কাপুর ২০২৬ সালের ২৫ মার্চ থেকে সঞ্জয়ের মা রানি কাপুর-কে ট্রাস্টির পদ থেকে অপসারণ করে একটি নোটিস জারি করেছেন। সেই নোটিসেই ট্রাস্টের কাঠামো ও সুবিধাভোগীদের বিষয়ে বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে।
নোটিস অনুযায়ী, ২০১৭ সালে ‘আরকে ফ্যামিলি ট্রাস্ট’ একটি ব্যক্তিগত ও অপরিবর্তনীয় ট্রাস্ট হিসেবে গঠিত হয়েছিল। সঞ্জয় কাপুর জীবিত থাকা পর্যন্ত তিনিই ছিলেন এই ট্রাস্টের একমাত্র সুবিধাভোগী। ২০২৫ সালের জুন মাসে তাঁর মৃত্যুর পর ট্রাস্টের সুবিধাভোগের অধিকার তাঁর সন্তানদের কাছে হস্তান্তরিত হয়েছে। সেখানে আজ়ারিয়াস সুরি কাপুর, সমাইরা কাপুর এবং কিয়ান কাপুরের নাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
নোটিসে আরও বলা হয়েছে, একমাত্র সুবিধাভোগীর মৃত্যুর পর রানি কাপুরের কিছু পদক্ষেপ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রিয়া কাপুর। ট্রাস্টের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এবং ট্রাস্টের সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে রানি কাপুর দিল্লি হাই কোর্টে আবেদন করেছেন বলেও উল্লেখ রয়েছে। প্রিয়ার দাবি, এই পদক্ষেপ ট্রাস্টের স্বার্থের পক্ষে ক্ষতিকর। ভারতীয় ট্রাস্ট আইনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি জানিয়েছেন, সেই কারণেই রানিকে ট্রাস্টির পদ থেকে সরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নোটিসে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, ২৫ মার্চ ২০২৬ থেকে রানি কাপুর আর এই ট্রাস্টের পক্ষে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না। ট্রাস্টের সম্পত্তি, নথি বা অন্য কোনও বিষয়ে তাঁর হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য হবে না। ওই তারিখের পরে ট্রাস্টের নামে তাঁর নেওয়া যে কোনও পদক্ষেপ অবৈধ বলে গণ্য হবে বলেও নোটিসে উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি নির্দেশ না মানলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।