অমিতাভ বচ্চনের সাফল্যের আড়ালে লুকিয়ে আছে স্ত্রী জয়া বচ্চনের ত্যাগের গল্প। সন্তানদের মানুষ করতে কেরিয়ারে ইতি টেনে, অমিতাভের টিফিন বক্সে চিরকুট লিখে জানাতেন বাড়ির খবর।
.jpeg.webp)
অমিতাভ ও জয়া
শেষ আপডেট: 14 September 2025 15:35
দ্য ওয়াল ব্যুরো: অমিতাভ বচ্চন ও জয়া বচ্চনের বিয়ে এবং এরপর অভিনেত্রী রেখার সঙ্গে অমিতাভের সম্পর্ক নিয়ে অনেক কিছু লেখা হয়েছে। তবে এই সবকিছুর মাঝে জয়া বচ্চনের কর্মজীবন ও ব্যক্তিগত ত্যাগের কথা কমই বলা হয়। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অমিতাভ তার জীবনের সাফল্যের পেছনে স্ত্রী জয়া বচ্চনের গভীর অবদানের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন।
প্রবীণ সাংবাদিক পূজা সামন্ত হিন্দি রাশ পডকাস্টে বলেন, "একবার কথা বলার সময় অমিত জি বলেছিলেন, আমি আমার বাবা-মায়ের কাছে কৃতজ্ঞ, কারণ তাদের জন্যই আমি আজ এই জায়গায়। তবে আমি জয়ার কাছেও কৃতজ্ঞ। যখন আমি দিনরাত কাজ করতাম, তখন ও নিজের কেরিয়ার ছেড়ে আমাদের সন্তানদের খুব ভালোভাবে মানুষ করেছে। ও ওদের মধ্যে ভালো মূল্যবোধ তৈরি করেছে।"
পূজা আরও জানান, অমিতাভ বলেছিলেন যে মোবাইল ফোন আসার আগে তারা কীভাবে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। "অমিত জি বলেছিলেন, যখনই কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় থাকত, জয়া একটি চিরকুট লিখে আমার টিফিনের বক্সে রেখে দিত। সেখানে লেখা থাকত, 'যদি পারো তাড়াতাড়ি ফিরো, অভিষেকের শরীর ভাল না' অথবা 'আজ ওকে স্কুলে নিয়ে যেতে হবে'।
সামন্ত বলেন, "জয়া একজন অসাধারণ অভিনেত্রী। যদি সে নিয়মিত কাজ করত, তাহলে সে আরও অনেক বড় জায়গায় পৌঁছাতে পারত। তবে সে নিজের পরিবার এবং সন্তানদেরকেই প্রাধান্য দিয়েছে। অমিতাভ যেন তার কেরিয়ারে সবকিছু দিতে পারে, সেইজন্য সে তার জীবনটা সহজ করে দিয়েছে।"
উল্লেখ্য, ১৯৭৩ সালে অমিতাভ ও জয়া বচ্চন বিয়ে করেন। ১৯৭৪ সালে তাদের মেয়ে শ্বেতা এবং ১৯৭৬ সালে ছেলে অভিষেক জন্মগ্রহণ করে। এরপর জয়া অভিনয় থেকে সরে আসেন, কেবল মাঝে মাঝে কিছু ছবিতে কাজ করেছেন। এর মধ্যে অন্যতম হলো ১৯৮১ সালের যশ চোপড়ার ছবি 'সিলসিলা', যেখানে অমিতাভ, জয়া এবং রেখা একসঙ্গে অভিনয় করেছিলেন।