২০১ রান তাড়া করতে নেমে দ্রুত আউট হন ফিল সল্ট (৯)। কিন্তু ‘ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার’ দেবদত্ত পাড়িক্কল মাঠে নামতেই বদলে যায় ম্যাচের গতি। প্রথম বলেই উনাদকাটকে ছয়, তারপর নীতীশ রেড্ডি থেকে মালিঙ্গা- কাউকে ছাড়েননি তিনি।

প্রথম ম্যাচে জয় বেঙ্গালুরুর
শেষ আপডেট: 29 March 2026 00:16
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত মরসুম যেখানে শেষ হয়েছিল, সেখান থেকেই আইপিএলের নতুন সিজনের (IPL 2026) শুরুটা করল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (RCB)। প্রথম ম্যাচেই দাপট দেখিয়ে হায়দরাবাদকে ৬ উইকেটে হারাল তারা। ২০১ রান তুলেও হায়দরাবাদ (SRH) আটকাতে পারল না গতবারের জয়ী দলকে। দুর্দান্ত অর্ধশতরান করলেন দেবদত্ত পাড়িক্কল ও বিরাট কোহলি (Virat Kohli)। অধিনায়ক রজত পাটিদারের (Rajat Patidar) ছোট কিন্তু ঝড়ো ইনিংসই ম্যাচ ঘুরিয়ে দিল।
প্রথমে ব্যাট করে ৯ উইকেট হারিয়ে হায়দরাবাদ তোলে ২০১ রান। শুরুতেই আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান অভিষেক শর্মা ও ট্রেভিস হেড (Travis Head)। দু’জনেই জেকব ডাফির সামনে ব্যর্থ। নীতীশ রেড্ডিও (৯) বেশি সময় ক্রিজে থাকতে পারেননি। কঠিন পরিস্থিতিতে ঈশান কিষানের সঙ্গে চতুর্থ উইকেটে ৯৭ রানের জুটি গড়ে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেন হাইনরিখ ক্লাসেন। বড় শটও খেলছিলেন তিনি। কিন্তু রোমারিয়ো শেফার্ডের বলে ফিল সল্ট বাউন্ডারির ধারে তাঁর ক্যাচ ধরলে শেষ হয় তাঁর ২২ বলে ৩১ রানের ইনিংস।
ঈশান কিষাণ (Ishan Kishan) পুরো সময়টাই আক্রমণাত্মক ছিলেন। বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2026) পরও ছন্দ সেইভাবেই ধরে রেখেছিলেন তিনি। শতরানের পথে এগোচ্ছিলেন, কিন্তু অভিনন্দন সিংয়ের ফুল লেন্থ বল পয়েন্টে মারতে গিয়ে ধরা পড়েন সল্টের হাতে। শেষদিকে অনিকেত বর্মার ১৮ বলে ৪৩ রানের ঝড়ে হায়দরাবাদ ২০০ পেরোয়।
২০১ রান তাড়া করতে নেমে দ্রুত আউট হন ফিল সল্ট (৯)। কিন্তু ‘ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার’ দেবদত্ত পাড়িক্কল মাঠে নামতেই বদলে যায় ম্যাচের গতি। প্রথম বলেই উনাদকাটকে ছয়, তারপর নীতীশ রেড্ডি থেকে মালিঙ্গা- কাউকে ছাড়েননি তিনি। মাত্র ২১ বলে অর্ধশতরান করে বেঙ্গালুরুকে দ্রুত এগিয়ে দেন। দলের শতরান আসে ৮.১ ওভারে।
চারে নেমে আরও আগ্রাসী ব্যাটিং দেখান অধিনায়ক রজত পাটিদার। মাত্র ১২ বলে ৩১ রানের ইনিংসে দু’টি চার ও তিনটি ছয় মেরে হায়দরাবাদের বোলিংকে আরও চাপে ফেলেন। পাড়িক্কল ও পাটিদার ফিরে যাওয়ার পর দায়িত্ব নেন কোহলি। ১০ মাস পর টি-টোয়েন্টিতে ফিরেও ছন্দে ভাঁটা দেখা গেল না। প্রতিটি স্ট্রোকে ছিল আত্মবিশ্বাস। একবার ক্যাচ মিস হলেও আর কোনও সুযোগ দেননি তিনি।
অর্ধশতরান করে শেষ পর্যন্ত ম্যাচও শেষ করেন কোহলি। হর্ষল পটেলের এক ওভারেই একটি ছয় ও তিনটি চার মেরে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন দলকে। ২৬ বল (১৫.৪ ওভার) হাতে রেখেই জেতে বেঙ্গালুরু।