সম্প্রতি সতীর্থ স্টুয়ার্ট ব্রডের সঙ্গে একটি পডকাস্টে হাজির হন বাটলার। সেখানে আইপিএল-অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে উঠে আসে ওয়াংখেড়ে প্রসঙ্গ। কীভাবে দর্শকেরা উৎসবে মেতে ওঠেন? দলের ক্রিকেটারকে স্বাগত জানান?

টেলর সুইফট
শেষ আপডেট: 17 June 2025 16:35
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দর্শকদের উল্লাস ও চিৎকারে সরগরম মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামকে টেলর সুইফটের অনুষ্ঠানের সঙ্গে তুলনা করলেন জস বাটলার।
এখন গুজরাত টাইটানসের হয়ে খেলেন এই ইংরেজ ব্যাটসম্যান। কিন্তু আইপিএলে ঘরের বাইরে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে ম্যাচ থাকলে ওয়াংখেড়ে যেতেই হয়। সেই সময় দর্শকদের অভ্যর্থনার যা বহর দেখেছেন, তা বাটলারের চোখে ধাঁধা আর কানে তালা লাগিয়েছে!
সম্প্রতি সতীর্থ স্টুয়ার্ট ব্রডের সঙ্গে একটি পডকাস্টে হাজির হন বাটলার। সেখানে আইপিএল-অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে উঠে আসে ওয়াংখেড়ে প্রসঙ্গ। কীভাবে দর্শকেরা উৎসবে মেতে ওঠেন? দলের ক্রিকেটারকে স্বাগত জানান?
বাটলারের কথায়, ‘ভারতের সমস্ত স্টেডিয়ামের মধ্যে একটির কথা বলব। সেটা ওয়াংখেড়ে। যখনই আমি ব্যাট করতে নামি, দর্শকদের আসন থেকে আওয়াজ ওঠে: ‘জস দ্য বস!’ একবার ভাবো, বোলার বল করতে আসছে আর গোটা স্টেডিয়াম চিৎকার করে বলছে ‘জস দ্য বস’!
কতটা উচ্চকিত ওয়াংখেড়ে? বাটলার বলেন, ‘প্রচণ্ড আওয়াজ। বুমরাহ হাতে বল নিলেই গোটা ময়দান গর্জে ওঠে ‘বুম বুম বুমরাহ’। ও যখন বোলিং করে, তখন যেন গর্জনের হিল্লোল ওঠে। যখনই এগিয়ে আসে, আমি ভাবি, হে ঈশ্বর আওয়াজ তো বাড়ছে, আরও বাড়ছে… বুমরাহ আরও জোরে তেড়ে আসছে।‘
কিন্তু আন্তর্জাতিক মঞ্চে পারফর্ম করার সুবিধে হচ্ছে, বাইশ গজের পরিবেশের সঙ্গে ধাতস্থ হওয়ার পাশপাশি মাঠের বাইরের সমস্ত বিষয়কে আত্মস্থ করতে পারা। বাটলারও এই মতে সায় দিয়েছেন। বলেছেন, ‘এই মুহূর্তগুলি নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। একই সঙ্গে প্রত্যাশা ও গর্জনকে মোকাবিলা করা জরুরি। ক্রিকেটের সর্বোচ্চ স্তরে যা কিছু উলটো ঘটছে, তোমার উচিত সবকিছুকে সহ্য করা।‘
এরপরই আসে টেলর সুইফটের প্রসঙ্গ। বাটলারের কথায়, ‘আমি সুইফটের কনসার্টে গিয়েছি। যখন ও গান গাওয়া শেষ করে, কানে তালা লেগে যাওয়ার জোগাড়! আইপিএল স্টেডিয়ামের চাইতে বেশি গমগমে যদি কিছু হয়ে থাকে, সেটা টেলরের অনুষ্ঠান।‘