ভোটের দুদিন আগে থেকে বাংলাদেশ মোটের উপর শান্ত কোনও হিংসাত্মক ঘটনার খবর নেই। এটা এখনও পর্যন্ত সব মহলকে স্বস্তিতে রেখেছে। অতীতে একাধিক নির্বাচনে ভোটের আগের রাতে হিংসার্থ ঘটনার জেরে বহু মানুষ বুথমুখী হননি। ওয়াকিবহাল মহল আশা করছে, পরিস্থিতি সারাদিন নিয়ন্ত্রণেই থাকবে।

ঢাকার একটি কেন্দ্র - নিজস্ব ছবি
শেষ আপডেট: 12 February 2026 07:52
ভোট শুরু হল বাংলাদেশে (Bangladesh Elections 2026)। বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে সাতটায় শুরু হয়েছে ভোট গ্রহণ। রাজধানী ঢাকার (Dhaka) বুথেই সকাল থেকে লম্বা লাইন পড়েছে। পুরুষদের পাশাপাশি বহু সংখ্যায় মহিলা ভোটার বুথে হাজির হয়েছেন সকাল থেকেই। বুথের ভিতরে বাইরে রয়েছে নিরাপত্তা বাহিনীর নজরদারি। এখনও পর্যন্ত বড় ধরনের কোনও অশান্তি এবং অভিযোগ নেই।
তবে ভোট শুরুর কয়েক ঘন্টা আগে বুধবার রাত থেকে গোটা বাংলাদেশ (Bangladesh) থেকে নানা অনিয়মের অভিযোগ আসতে শুরু করে। জামাত (Jamaat) এবং বিএনপি (BNP) দুই দলের কর্মীদের হাত কাজ থেকেই লাখ লাখ টাকা উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে। কয়েকটি জায়গায় নির্বাচন আধিকারিকদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়ায় নির্বাচন কমিশন তাদের দ্রুত সরিয়ে দিয়েছে।
তবে ভোটের দুদিন আগে থেকে বাংলাদেশ মোটের উপর শান্ত কোনও হিংসাত্মক ঘটনার খবর নেই। এটা এখনও পর্যন্ত সব মহলকে স্বস্তিতে রেখেছে। অতীতে একাধিক নির্বাচনে ভোটের আগের রাতে হিংসার্থ ঘটনার জেরে বহু মানুষ বুথমুখী হননি। ওয়াকিবহাল মহল আশা করছে, পরিস্থিতি সারাদিন নিয়ন্ত্রণেই থাকবে।
ঢাকা ১৭ আসনে প্রার্থী বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান (Tarek Rahman)। গুলশান মডেল স্কুলের বুথে তিনি সপরিবারে ভোট দেবেন। একটু আগে ঠাকুরগাঁওয়ে নিজের বুথে ভোট দিয়েছেন বিএনপি'র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
ঢাকা ১৫ কেন্দ্রে প্রার্থী জামাত ইসলামের আমির শফিকুর রহমান। তিনি ওই আসনের ৬০ ফিট এলাকায় অবস্থিত মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় (বালক শাখা)-র বুথে ভোট দেবেন।
প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুস ভোট দেবেন তার সরকারি বাসস্থান যমুনার লাগুয়া একটি বুথে। ঢাকা সহ বাংলাদেশের প্রায় সমস্ত শহরেই চলছে পুলিশ, সেনা, র্যাবের টহলদারি।
দেশের প্রায় সব জেলা থেকেই বুথে লাইন পড়েছে বলে খবর এসেছে। এই নির্বাচনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ভোটের হার। অর্থাৎ কত সংখ্যক ভোটার শেষ পর্যন্ত বুথে যান তা নিয়ে সব মহলের কৌতুহল আছে। এবার ভোটের সঙ্গেই নেওয়া হচ্ছে গণভোট। জুলাই সনদের ভিত্তিতে তৈরি চারটি প্রশ্নের জবাব দিতে হ্যাঁ এবং না ভোটে রায় দেবেন ভোটারেরা। আওয়ামী লিগ এই নির্বাচন বয়কট করায় তার প্রভাব নির্বাচনে কতটা পড়বে সে বিষয়েও কৌতূহল রয়েছে সব মহলে।