গত সপ্তাহে ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত শেখ হাসিনা সহ ৩২ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। সেই তালিকায় অবসরপ্রাপ্ত এবং কর্মরত মিলিয়ে ২৫ জন সেনাকর্তা নাম রয়েছে। তাদের ১৫ জন বর্তমানে বাহিনীতে কর্মরত অভিযুক্ত অফিসারদের মধ্যে কর্নেল থেকে মেজর জেনারেল পদমর্যাদার অফিসারেরা রয়েছেন।

শেষ আপডেট: 13 October 2025 15:51
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মানবতা বিরোধী অপরাধে যুক্ত থাকার অভিযোগে ১৫ জন সেনাকর্তাকে হেফাজতে নিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। তাদের আর পাঁচজন আসামির মত দেশের সাধারণ কারাগারে রাখা হবে না। ফাকা সেনানিবাস এর ভেতরে একটি ভবনকে সাময়িকভাবে কারাগার হিসাবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। তবে তাদের সেনা আইনে নাকি ফৌজদারি দণ্ডবিধি মেনে সাধারণ আদালতে বিচার হবে এই বিষয়টি এখনো স্পষ্ট হয়নি।

গত সপ্তাহে ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত শেখ হাসিনা সহ ৩২ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। সেই তালিকায় অবসরপ্রাপ্ত এবং কর্মরত মিলিয়ে ২৫ জন সেনাকর্তা নাম রয়েছে। তাদের ১৫ জন বর্তমানে বাহিনীতে কর্মরত অভিযুক্ত অফিসারদের মধ্যে কর্নেল থেকে মেজর জেনারেল পদমর্যাদার অফিসারেরা রয়েছেন। শনিবার কর্মরত ১৫ অফিসার কে হেফাজতের হওয়ার কথা জানিয়েছে সেনাবাহিনী।
অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিত্র তাজুল ইসলাম ইতিমধ্যে জানিয়েছেন সেনাবাহিনীতে কর্মরত হলেও অভিযুক্ত অফিসারদের বিচার ১৯৭৩ সালের বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ডায়মন্ডলের আইনের আধারেই হতে হবে। সেনাবাহিনীর একাংশ প্রথম থেকে চেষ্টা চালাচ্ছে পেনা আইনে তাদের বিচার করার। আইনজীবীদের বড় অংশের অভিমত সাধারণ দেশবাসীর ওপর সংঘটিত অপরাধের বিচার সাধারণ ফৌজদারী আদালতে হওয়া উচিত। বাহিরিতে কোন অপরাধ করলে তার বিচার সেনা আদালতে হতে পারে। তবে বিশেষ কারাগার গঠনের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সব মহল কেই অবাক করেছে। বাংলাদেশে অতীতেও সেনাবাহিনীর বহু সদস্যের বিচার হয়েছে এমনকি মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় কয়েকজনকে। কিন্তু তারা সাধারণ কারাগারেই ছিলেন।
বিশেষ আদালত গঠন নিয়ে দুটি মতামত পাওয়া যাচ্ছে একটি মত হল সংশ্লিষ্ট সেনাকর্তাদের বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, যা সাধারণ কারাগারে বিঘ্নিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ও দ্বিতীয় মূর্তি হল সাধারণ কারাগার থেকে দ্রুত সেনাকর্তারা পালিয়ে যেতে পারেন।