মন্ত্রিপরিষদের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে শুক্রবার সরকারের তরফে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। তাতে বলা হয়েছে, চলমান জ্বালানি সংকটের মোকাবিলায় সরকার দিনে প্রায় ৩ হাজার ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। বলা হয়েছে কৃষি, শিল্প এবং পরিষেবায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত।

শেষ আপডেট: 3 April 2026 20:28
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলাদেশে জ্বালানি সংকট (fuel crisis in Bangladesh) মোকাবিলায় এবার মন্ত্রীদের গাড়ির তেলেও কোপ পড়ল। মন্ত্রীরা মাসে বরাদ্দ তেলের তিরিশ শতাংশ কম পাবেন। প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। আরও সিদ্ধান্ত হয়েছে, গাড়ি কেনার জন্য সরকারি কর্মকর্তাদের বিনা সুদে ঋণ দেওয়ার প্রচলিত ব্যবস্থা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
দিনের আলোয় কাজ শেষ করার লক্ষ্যে সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাজের সময় পরিবর্তন করা হয়েছে। সকাল ন'টা থেকে বিকেল চারটে পর্যন্ত অফিস হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্দেশ দিয়েছেন, আপাতত বাতির ব্যবহার যথাসম্ভব কমাতে হবে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া এসি মেশিনও বন্ধ রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। জানলা দরজা খুলে অফিস করলে দিনের আলোতেই কাজ করা সম্ভব মনে করেন প্রধানমন্ত্রী।
জ্বালানি সাশ্রয় করতে জরুরি সেবা বাদে সব অফিস ভবন, শপিং মল সহ যাবতীয় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান সন্ধ্যা ছয়টায় বন্ধ করার নির্দেশ জারি হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে শুক্রবার সরকারের তরফে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। তাতে বলা হয়েছে, চলমান জ্বালানি সংকটের মোকাবিলায় সরকার দিনে প্রায় ৩ হাজার ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। বলা হয়েছে কৃষি, শিল্প এবং পরিষেবায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত।
সরকারের তরফে আরও বলা হয়েছে আগামী তিন মাস কোন ধরনের আলোকসজ্জা করা যাবে না। সরকারি বেসরকারি মিডিয়াকে এই বিষয়ে জনসচেতনতা গড়ে তোলার আর্জি জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।