তারেক রহমান জানান, সরকার দশটি দেশকে চিহ্নিত করেছে যেখানে আওয়ামী লিগ জমানায় দেশের অর্থ পাচার করা হয়েছে। এই দেশগুলি হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, কানাডা, সুইৎজারল্যান্ড, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, হংকং এবং চিন।

শেষ আপডেট: 2 April 2026 18:05
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) সময় বাংলাদেশ থেকে ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিদেশে পাচার করা হয়েছে বলে শ্বেতপত্রে দাবি করেছিল মহম্মদ ইউনুসের (Muhammad Yunus) অন্তর্বর্তী সরকার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ বছরে ১.৮ লাখ কোটি টাকা।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান (Tarique Rahman) বাংলাদেশ সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি মেনে তাঁর সরকার পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধার করে দেশে ফেরাতে উদ্যোগ নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, ওই অর্থ খুঁজে বের করে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকার ১১টি তদন্ত দল গঠন করেছে। প্রতিটি দলে দুর্নীতি দমন কমিশন, পুলিশ, ন্যাশনাল রেভিনিউ বোর্ড বা এনআরবি এবং শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগের তদন্তকারীরা। তারেক রহমান জানান, মিউচ্যুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রিটি এবং মিউচ্যুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট রিকোয়েস্ট ব্যবস্থায় পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারের চেষ্টা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী এই প্রশ্নের জবাব দেওয়ার সময় সবাই উপস্থিত সাংসদদের মধ্যে তুমুল কৌতূহল ছিল যেসব দেশে আওয়ামী লিগের জমানায় টাকা পাচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ সেই তালিকায় ভারতের নাম আছে কিনা। বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামী অতীতে বারে বারে অভিযোগ করেছে শেখ হাসিনা ও তাঁর অনুগামীরা হাজার হাজার কোটি টাকা ভারতে পাচার করেছে। এই অভিযোগ আরও জোরদার হয় ২০২৪-এর ৫ অগস্ট গণঅভ্যুত্থানের জেরে শেখ হাসিনার সহ আওয়ামী লিগের নেতা-মন্ত্রীদের অনেকেই ভারতে আশ্রয় নেওয়ায়। পাচার হওয়া অর্থ যেসব দেশে গিয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রীর তারেক যখন সরকারি রিপোর্ট থেকে নাম উল্লেখ করতে শুরু করেন তখন বাংলাদেশ সংসদে ছিল পিন পড়ার নীরবতা।
তারেক রহমান জানান, সরকার দশটি দেশকে চিহ্নিত করেছে যেখানে আওয়ামী লিগ জমানায় দেশের অর্থ পাচার করা হয়েছে। এই দেশগুলি হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, কানাডা, সুইৎজারল্যান্ড, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, হংকং এবং চিন।