Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
স্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র‘একজনকে ধরলে হাজার জন বেরোবে...’, আইপ্যাক ডিরেক্টর গ্রেফতারের পরই নাম না করে হুঁশিয়ারি মমতারনববর্ষে বাঙালিয়ানার ষোলো আনা স্বাদ! ঢাকাই কালো ভুনা থেকে আম পেঁয়াজির যুগলবন্দি, মিলবে এই রেস্তরাঁয়

‘শারীরিক সম্পর্ক হয়েছিল', এটা বললেই ধর্ষণের প্রমাণ হয়ে যায় না, পর্যবেক্ষণ দিল্লি হাইকোর্টের

এই সংক্রান্ত একটি মামলাতেই এক ব্যক্তিকে ধর্ষণের দায়ে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। ওই সাজা বাতিল করে অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস করেছে বিচারপতি মনোজ কুমার ওহরির বেঞ্চ। 

‘শারীরিক সম্পর্ক হয়েছিল', এটা বললেই ধর্ষণের প্রমাণ হয়ে যায় না, পর্যবেক্ষণ দিল্লি হাইকোর্টের

ফাইল ছবি

সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: 22 October 2025 13:45

দ্য ওয়াল ব্যুরো: শুধু ‘শারীরিক সম্পর্ক’ (Physical Relation) কথাটি উচ্চারণ করলেই ধর্ষণ বা যৌন নিপীড়নের (Rape) অভিযোগ প্রমাণিত হয় না — এমনই পর্যবেক্ষণ দিল্লি হাইকোর্টের (Delhi High Court)। আদালতের মতে, অভিযোগের সমর্থনে যথাযথ প্রমাণ বা ব্যাখ্যা না থাকলে শুধুমাত্র এই শব্দের ভিত্তিতে দোষী সাব্যস্ত করা যায় না।

এই সংক্রান্ত একটি মামলাতেই এক ব্যক্তিকে ধর্ষণের দায়ে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। ওই সাজা বাতিল করে অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস করেছে বিচারপতি মনোজ কুমার ওহরির বেঞ্চ। আদালতের পর্যবেক্ষণ, “এই মামলার বিশেষ পরিস্থিতিতে দেখা যাচ্ছে যে ‘শারীরিক সম্পর্ক’ (Physical Relation) শব্দটি ব্যবহার করা হলেও তার সঙ্গে কোনও নির্দিষ্ট বা সমর্থনযোগ্য প্রমাণ জুড়ে দেওয়া হয়নি। তাই এটিকে ভিত্তি করে অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা যায় না।”

বিচারপতি আরও বলেন, ভারতীয় দণ্ডবিধি (IPC) কিংবা পোকসো আইনে (POCSO Act) ‘physical relations’ বা ‘শারীরিক সম্পর্ক’ শব্দটির কোনও আইনি সংজ্ঞা নেই। ফলে এই শব্দের অর্থ কী এবং তা আদৌ যৌন নিপীড়নের সমার্থক কিনা, সেই ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

মামলার পটভূমি

২০২৩ সালে দায়ের হওয়া এই মামলায় অভিযোগ ছিল, অভিযুক্ত ব্যক্তি ১৬ বছর বয়সী কিশোরীর সঙ্গে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ‘শারীরিক সম্পর্ক’ গড়েছিলেন। বিষয়টি নিয়ে তার পরিবারের সদস্যরা আদালতে মৌখিকভাবে অভিযোগ করেন, কিন্তু কোনও ফরেনসিক বা চিকিৎসাগত প্রমাণ পেশ করা হয়নি।

বিচারকের মতামত

রায়ে বিচারপতি ওহরি লেখেন, “যদি বয়ানে প্রয়োজনীয় বিবরণ না থাকে, তবে আদালতের কর্তব্য সেই সাক্ষ্য থেকে প্রাসঙ্গিক তথ্য বের করতে প্রয়োজনীয় প্রশ্ন করা এবং শিশুটি সাক্ষ্য দিতে সক্ষম কিনা তা যাচাই করা। আদালত কখনও নীরব দর্শক হতে পারে না; প্রয়োজনে সক্রিয় ভূমিকা নিতে হয়।”

আইনজ্ঞদের মতে, এই রায় ভবিষ্যতের যৌন অপরাধ মামলাগুলিতে গুরুত্বপূর্ণ নজির হিসেবে কাজ করবে। আদালত স্পষ্ট করেছে - অভিযোগের ভাষা নয়, প্রমাণই শেষ কথা। অভিযোগ কতটা বিশ্বাসযোগ্য, তা বিচার করতে আদালতকেও দায়িত্ব নিতে হবে।


```