চলতি বছরের ২২ এপ্রিল পহেলগামে পর্যটকদের উদ্দেশে নির্বিচারে গুলি চালায় জঙ্গিরা। মৃত্যু হয় ২৬ জনের, অধিকাংশই পর্যটক। ঐশন্যা তখন ছিলেন স্বামী ও পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 28 July 2025 23:40
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পহেলগাম হামলার (Pahalgam Attack) অন্যতম মূলচক্রী সুলেমান শাহ সহ তিন জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে শ্রীনগরের কাছে সেনা অভিযানে। এ খবর শুনে একটু যেন হালকা হলেন ঐশন্যা দ্বিবেদী। যাঁর চোখের সামনেই দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগামে জঙ্গির গুলিতে নিহত হন তাঁর স্বামী শুভম দ্বিবেদী।
'কষ্ট তো যাবে না, কিন্তু কিছুটা শান্তি পেলাম', জঙ্গি মৃত্যুর খবরে এমনটাই বললেন কানপুরের বাসিন্দা ঐশন্যা। সেনার অভিযানকে (Operation Mahadev) সাধুবাদ জানালেন তিনি।
চলতি বছরের ২২ এপ্রিল পহেলগামে পর্যটকদের উদ্দেশে নির্বিচারে গুলি চালায় জঙ্গিরা। মৃত্যু হয় ২৬ জনের, অধিকাংশই পর্যটক। ঐশন্যা তখন ছিলেন স্বামী ও পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে।
''আমি সেই রাত এখনও ভুলতে পারিনি। তবে এটা একরকমের শুরু। একটা আশ্বাস যে যারা শুভমকে মেরেছিল, তারা আর বেঁচে নেই। আর যারা তাদের পেছন থেকে চালনা করছিল, তারাও এবার পালানোর পথ পাবে না। আমার ভারতীয় সেনার উপর সম্পূর্ণ ভরসা আছে,’’ এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়ে এমনটাই বলেছেন ঐশন্যা।
সেনার তরফে জানানো হয়েছে, ‘অপারেশন মহাদেব’-এ মৃত্যু হয়েছে লস্কর-ই-তইবার শীর্ষ জঙ্গি সুলেমান শাহ ওরফে মুসার। সেই ছিল পহেলগাম হামলার মূলচক্রী।
ঘটনার দিনটি মনে করে ঐশন্যা বলেন, ‘‘ওরা কোনও দল হিসেবে আসেনি। চারপাশ থেকে ঢুকেছিল। শুভমই প্রথম শিকার হয়। আমি খুব স্পষ্ট মনে করতে পারি, একজন জঙ্গি ঢুকেছিল গেটের দিক থেকে। ওখান থেকেই প্রথম গুলি চালায়।''
ঘটনার মাত্র দু’মাস আগে, ১২ ফেব্রুয়ারি বিয়ে করেছিলেন ঐশন্যা ও শুভম। এর ৭০ দিন পরেই সেই সম্পর্ক চিরতরে থেমে যায় সন্ত্রাসের আঘাতে।