অভিযানের সবথেকে বড় সাফল্য পহেলগাম হামলার অন্যতম মূল চক্রীকে খতম করা। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে দারা অঞ্চলের লিডওয়াস পাহাড়ি এলাকায় শুরু হয় অভিযান।

হাসিম মুসা
শেষ আপডেট: 28 July 2025 18:41
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কাশ্মীরের শ্রীনগর শহরের উপকণ্ঠে নিরাপত্তাবাহিনীর অভিযানে খতম হয়েছে পহেলগাম হামলার (Pahalgam Attack) মূল সন্দেহভাজন ঘাতক পাকিস্তানি জঙ্গি হাসিম মুসা (Hasim Moosha)। এছাড়াও আরও দুই জঙ্গি যৌথভাবে নিকেশ করেছে সেনা এবং জম্মু-কাশ্মীর (Jammu Kashmir) পুলিশ। এই অভিযান হয়েছে ‘অপারেশন মহাদেব’ নামে।
এই অভিযানের সবথেকে বড় সাফল্য পহেলগাম হামলার অন্যতম মূল চক্রীকে খতম করা। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে দারা অঞ্চলের লিডওয়াস পাহাড়ি এলাকায় শুরু হয় অভিযান। এই এলাকা দাচিগাঁও ন্যাশনাল পার্কের কাছে। দীর্ঘক্ষণ গুলির লড়াই চলে দুই পক্ষের মধ্যে।
কে এই সুলেমান ওরফে হাসিম মুসা
পাকিস্তান সেনার প্রাক্তন কর্মী ছিল সুলেমান শাহ ওরফে হাসিম মুসা। এরপরই সে পাকিস্তান-ভিত্তিক লস্কর-ই-তইবা জঙ্গি সংগঠনের সক্রিয় সদস্য হয়ে যায়।
চলতি বছরের ২২ এপ্রিল পহেলগামের বৈসরনে ভয়াবহ যে হামলায় ২৬ জনের প্রাণ গিয়েছিল, তাদের বেশিরভাগই ছিলেন পর্যটক। ঘটনার পরে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ তাঁর খোঁজে ২০ লক্ষ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করে।
হামলার পর থেকে সুলেমান শাহ গান্ডেরবল জেলায় লুকিয়ে ছিল বলে মনে করা হচ্ছিল। অবশেষে যৌথ বাহিনীর অভিযানে সে এবং তার দুই সহযোগীর মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা।
গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় মাসখানেক ধরে কয়েকজন জঙ্গির গতিবিধি লক্ষ্য করা গিয়েছে দাচিগাঁও এলাকায়। জায়গাটি শ্রীনগরের সিটি সেন্টারের আনুমানিক ২০ কিমি দূরে। এরাই পহলগাম গণ নরহত্যার সঙ্গে জড়িত বলেও বাহিনী জানতে পারে।
নিরাপত্তা বাহিনী সূত্র জানিয়েছে, যে তিন জঙ্গি খতম হয়েছে, তারাই পহলগামে গত ২২ এপ্রিল নিরীহ পর্যটকদের ধর্ম বেছে বেছে খুন করেছিল। তারপর থেকে লাগাতার তিনমাসেরও বেশি সময় ধরে তাদের খোঁজে বিভিন্নভাবে তল্লাশি চলছিল জম্মু-কাশ্মীর জুড়ে।