Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
জিৎ-প্রযোজক দ্বন্দ্বে আটকে মুক্তি! ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তি বিশ বাঁও জলে!কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্লসামনে কাজল শেখ, মমতা কথা শুরু করতেই হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রতর! সিউড়িতে কী ঘটলEPL: নায়ক ওকাফর! ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ৪৫ বছরের অভিশাপ মুছল লিডস, রক্ষণের ভুলে ডুবল ম্যান ইউAsha Bhosle: 'এত ভালবাসার সবটাই তোমার...,' ঠাকুমার স্মৃতি আঁকড়ে আবেগঘন পোস্ট নাতনি জানাইয়েরSupreme Court DA: ডিএ নিয়ে সময়সীমা বৃদ্ধির আর্জি, বুধবার রাজ্যের মামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্টনির্বাচকদের শর্টলিস্টে বৈভব! আয়ারল্যান্ড সফরে যাওয়ার জোর সম্ভাবনা, ভাঙতে পারেন সচিনের রেকর্ড

ভাঙল ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন, নিট পরীক্ষায় প্রত্যাশিত নম্বর না পেয়ে বাবার বন্দুকে নিজেকে গুলি

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অনলাইনে নিজের উত্তরপত্র মিলিয়ে দেখার পরই হতাশাজনক ফল দেখে ভেঙে পড়েন তরুণ। এরপরই ঘটে যায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ভাঙল ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন, নিট পরীক্ষায় প্রত্যাশিত নম্বর না পেয়ে বাবার বন্দুকে নিজেকে গুলি

প্রতীকী ছবি

শেষ আপডেট: 5 June 2025 18:14

দ্য ওয়াল ব্যুরো: নিট পরীক্ষায় (NEET Result) আশানুরূপ ফল হয়নি, বাবার বন্দুক দিয়ে মাথায় গুলি করে আত্মঘাতী গোয়ালিয়রের ১৮ বছরের তরুণ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অনলাইনে নিজের উত্তরপত্র মিলিয়ে দেখার পরই হতাশাজনক ফল দেখে ভেঙে পড়েন তরুণ। এরপরই ঘটে যায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা (Madhya Pradesh Suicide Case)। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।  

পুলিশ সূত্রে খবর, গতকাল নিজের ঘরের দরজা বন্ধ করে একাই উত্তরপত্র মিলিয়ে দেখেন মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়রের বাসিন্দা নিখিল প্রতাপ রাঠোর। প্রত্যাশিত নম্বর পাননি, বুঝতে পেরেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তিনি।  বাবা-মা ছেলের নম্বর জানতে চাইলেও নিখিল কিছু জানায়নি। কারও সঙ্গে কোনও কথা না বলে বাবার ঘর থেকে বন্দুক নিয়ে আবার নিজের ঘরে চলে যান। কিছুক্ষণ পরই গুলি চালানোর আওয়াজ পেলে দরজা ভেঙে নিখিলে ঘরে ঢোকে তাঁর বাবা-মা।

রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়েছিলেন নিখিল। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই তরুণের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর।

মহারাজপুর থানার পুলিশ বন্দুকটি বাজেয়াপ্ত করেছে এবং ঘটনার তদন্তও শুরু হয়েছে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তদন্তকারী পুলিশ অফিসার জানিয়েছেন, 'নিখিলের বাবার কাছে বন্দুকটির লাইসেন্স রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি।' পরিবারের তরফে জানানো হয়, 'নিখিল অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিলেন। দ্বাদশ শ্রেণিতে দুর্দান্ত নম্বর পেয়েছিল। কিন্তু নিটে নিজের নম্বর নিয়ে সন্তুষ্ট ছিলেন না। মানসিক চাপে পড়েই এই সিদ্ধান্ত নেন তিনি।' মৃতের এক আত্মীয় বলেন, 'নিখিল চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। বাবার সঙ্গেই প্রতিদিন কোচিং সেন্টারে যেত। ওর দাদ বিটেক পড়ছে।' এই ঘটনায় নিখিলের বন্ধু ও সহপাঠীরাও শোকস্তব্ধ।

বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা ও প্রতিযোগিতার যুগে পরীক্ষার চাপ এবং ভাল ফলের উচ্চাকাঙ্খা প্রায় সব ছাত্র-ছাত্রীকেই ঘিরে রাখে। কিছু কিছু সময় এটি এতটাই গুরুতর হয়ে ওঠে যে মানসিক সমস্যার সৃষ্টি করে। বিশেষ করে নিট, জেইই-র মতো পরীক্ষাগুলি অনেকের মধ্যে মানসিক চাপ সৃষ্টি করে বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের।

মনোবিদদের মতে, 'পরীক্ষার চাপ যখন অতিরিক্ত হয়ে যায়, তখন শিক্ষার্থীদের অনেকেই মনে করে ভাল রেজাল্ট করাটাই জীবনের প্রধান লক্ষ্য। এই ভাবনাই তাঁদের হতাশাগ্রস্ত করে তোলে এবং আশানুরূপ ফল না হলে কেউ কেউ আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। তাই পড়ুয়াদের পরিবার এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে এমন পরিবেশ তৈরি করতে হবে যেখানে ফলাফল নয়, পরীক্ষার্থীদের চেষ্টাকেও গুরুত্ব দেওয়া হবে।


```