Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র‘একজনকে ধরলে হাজার জন বেরোবে...’, আইপ্যাক ডিরেক্টর গ্রেফতারের পরই নাম না করে হুঁশিয়ারি মমতারনববর্ষে বাঙালিয়ানার ষোলো আনা স্বাদ! ঢাকাই কালো ভুনা থেকে আম পেঁয়াজির যুগলবন্দি, মিলবে এই রেস্তরাঁয়‘কোভিড ভ্যাকসিনই হার্ট অ্যাটাকের কারণ!’ শেন ওয়ার্নের মৃত্যু নিয়ে ছেলের মন্তব্যে নতুন বিতর্ক এবার রক্তদান শিবিরেও কমিশনের ‘নজরদারি’! রক্তের আকাল হলে কী হবে রোগীদের? প্রশ্ন তুললেন কুণালমারাঠি না জানলে বাতিল হবে অটো-ট্যাক্সির লাইসেন্স! ১ মে থেকে কড়া নিয়ম মহারাষ্ট্রে

পাহাড়ের রানি মুসৌরি বিচ্ছিন্ন বৃষ্টি-ধসে, আটকে কয়েক হাজার, পুজোর মুখে সর্বনাশ পর্যটনের

পর্যটন দফতরের খাতায়কলমে অর্থাৎ তাদের পোর্টালে নথিভুক্ত প্রায় ৫১১ জন ভ্রমণার্থী শহরে আটকে পড়েছেন। বেসরকারি হিসেবে সংখ্যাটা কয়েক হাজার।

পাহাড়ের রানি মুসৌরি বিচ্ছিন্ন বৃষ্টি-ধসে, আটকে কয়েক হাজার, পুজোর মুখে সর্বনাশ পর্যটনের

আটকে পড়া পর্যটক ও পুজোর ছুটিতে বেড়াতে উৎসুক পর্যটকদের মাথায় বাজ ভেঙে পড়েছে।

শুভেন্দু ঘোষ

শেষ আপডেট: 18 September 2025 11:20

দ্য ওয়াল ব্যুরো: নাগাড়ে বৃষ্টি, হড়পা বান ও পাহাড়ি ধসে পুজোর মুখে বিপর্যস্ত পর্যটন শহর মুসৌরি। পর্যটন দফতরের খাতায়কলমে অর্থাৎ তাদের পোর্টালে নথিভুক্ত প্রায় ৫১১ জন ভ্রমণার্থী শহরে আটকে পড়েছেন। বেসরকারি হিসেবে সংখ্যাটা কয়েক হাজার। অবস্থা এমন পর্যায়ে পড়েছে যে, বিপদে আটকে পড়া পর্যটকদের খাদ্য-পানীয় জলের হাহাকার শুরু হয়েছে হোটেলগুলিতে।

যদিও হোটেল মালিকদের সংগঠন জানিয়েছে, দুর্যোগে পড়া যাত্রীদের জন্য তাঁদের আস্তানার দরজা খোলা রয়েছে। সকলকে বিনামূল্যে আশ্রয়, খাবার ও পানীয় জল দেওয়া হবে। রাজ্য সরকারও এ বিষয়ে পাশে দাঁড়িয়েছে হোটেল মালিকদের। তবে, এই মুহূর্তে অতি ও বিরামহীন বৃষ্টিতে ভূমিধসে পাহাড়ের রানি সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন গোটা রাজ্যের সঙ্গে। ফলে আটকে পড়া পর্যটক ও পুজোর ছুটিতে বেড়াতে উৎসুক পর্যটকদের মাথায় বাজ ভেঙে পড়েছে।

গত মঙ্গলবার থেকেই মুসৌরি শহর থেকে ঢোকা-বেরনোর মূল সব রাস্তা ধসে বন্ধ হয়ে রয়েছে। ফলে যাঁরা দেরাদুন কিংবা হরিদ্বার-হৃষিকেশের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন, তাঁরা পথিমধ্যে আটকে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছেন। এর মধ্যে স্থানীয় ও ভিনরাজ্যের অসংখ্য ভ্রমণার্থী রয়েছেন। মুসৌরি ট্রেডার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রজত আগরওয়াল বলেন, যাঁরা বিপর্যয়ের কারণে যেতে পারেননি, তাঁদের বিনা পয়সায় থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করেছি আমরা। যতক্ষণ না পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং তাঁরা নির্বিঘ্নে চলে যেতে পারেন, ততদিন শহরের সমস্ত হোটেল-রেস্তরাঁর দরজা তাঁদের জন্য খোলা থাকবে।

তিনি আরও বলেন, বিপর্যয়ের ক্ষয়ক্ষতি মাপার সময় এখন নেই। প্রাথমিক কাজ হচ্ছে অতিথিদের নিরাপদে ঘরে ফেরানো। অনেকেরই ট্রেন-বিমানের টিকিট ক্যানসেল করতে হয়েছে। ফলে এখন তাঁদের কাছ থেকে পয়সা আদায় করা উচিত নয়। আমরা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে সকলকে দেরাদুনে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করছি, বলেন আগরওয়াল।

বর্তমানে দেরাদুন-মুসৌরি যাতায়াতের সব পথ ক্ষতিগ্রস্ত। স্থানীয়রা অতি প্রয়োজনে চাম্বা-তেহরি-হৃষিকেশ হয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। কেউ বিকাশনগর হয়ে যাচ্ছেন। এই পথগুলিতে প্রায় ১০০ কিমি ঘুরে যেতে হয়। যাঁদের প্লেনের টিকিট কাটা রয়েছে, তাঁরা বহু পয়সা খরচ করে এই পথ দিয়েই বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছেন। ভারত সরকারের বিজ্ঞান-প্রযুক্তি মন্ত্রক জানিয়েছে, ভাটাঘাট, জর্জ এভারেস্ট, কেম্পটি জলপ্রপাত, খাট্টাপানি, লাইব্রেরি রোড, গালোগিধর ও হাতিপাঁও এলাকা অত্যন্ত ধসপ্রবণ। বহু জায়গায় পাহাড়ি ধসে ৬০ ডিগ্রি পর্যন্ত রাস্তা বসে গিয়েছে। ফলে এইসব এলাকায় যাওয়া প্রাণের ঝুঁকিপূর্ণ।


```