Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্লসামনে কাজল শেখ, মমতা কথা শুরু করতেই হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রতর! সিউড়িতে কী ঘটলEPL: নায়ক ওকাফর! ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ৪৫ বছরের অভিশাপ মুছল লিডস, রক্ষণের ভুলে ডুবল ম্যান ইউAsha Bhosle: 'এত ভালবাসার সবটাই তোমার...,' ঠাকুমার স্মৃতি আঁকড়ে আবেগঘন পোস্ট নাতনি জানাইয়েরSupreme Court DA: ডিএ নিয়ে সময়সীমা বৃদ্ধির আর্জি, বুধবার রাজ্যের মামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্টনির্বাচকদের শর্টলিস্টে বৈভব! আয়ারল্যান্ড সফরে যাওয়ার জোর সম্ভাবনা, ভাঙতে পারেন সচিনের রেকর্ডIPL 2026: ‘কাছের অনেককে বলেছিলাম, বৈভবকে প্রথম বলে আউট করব!’ কথা দিয়ে কথা রাখলেন প্রফুল্ল

নিরাপদ নয়! মহিলা নিরাপত্তায় কলকাতার স্থান তলানিতে, শাগরেদ দিল্লিও, জানাল সমীক্ষা

পাটনা, জয়পুর, ফরিদাবাদ, দিল্লি, কলকাতা, শ্রীনগর ও রাঁচি একেবারে তলানিতে স্থান পেয়েছে। অর্থাৎ এই শহরগুলি মহিলাদের পক্ষে মোটেই নিরাপদ নয়।

নিরাপদ নয়! মহিলা নিরাপত্তায় কলকাতার স্থান তলানিতে, শাগরেদ দিল্লিও, জানাল সমীক্ষা

৪০ শতাংশ মহিলার ধারণা তাঁরা নিরাপত্তার অভাববোধ করছেন।

শুভেন্দু ঘোষ

শেষ আপডেট: 28 August 2025 17:00

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কোহিমা, বিশাখাপত্তনম, ভুবনেশ্বর, আইজল, গ্যাংটক, ইটানগর ও মুম্বই দেশে মহিলাদের জন্য নিরাপদতম শহরগুলির তালিকায় উঠে এল। অন্যদিকে, পাটনা, জয়পুর, ফরিদাবাদ, দিল্লি, কলকাতা, শ্রীনগর ও রাঁচি একেবারে তলানিতে স্থান পেয়েছে। অর্থাৎ এই শহরগুলি মহিলাদের পক্ষে মোটেই নিরাপদ নয়। ন্যাশনাল অ্যানুয়াল রিপোর্ট অ্যান্ড ইনডেক্স অন উওমেন্স সেফটি (NARI) ২০২৫-এর রিপোর্টেই এই তথ্য উঠে এসেছে।

বৃহস্পতিবার দেশব্যাপী এই মাপকাঠি প্রকাশ হয়। ৩১টি শহরের ১২,৭৭০ জন মহিলাকে এই সমীক্ষার নমুনা হিসেবে নেওয়া হয়। সেখানে শহরগুলিকে অতি নিরাপদ, নিরাপদতম, মোটামুটি নিরাপদ, নিরাপদ নয় এবং অতি খারাপ নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিভাগে ভাগ করা হয়। কোহিমা ও অন্য কয়েকটি শহর শীর্ষস্থানে রয়েছে। এই শহরগুলিতে লিঙ্গসাম্যতা, নাগরিকদের সচেতনতা, পুলিশি ব্যবস্থা এবং মহিলাদের আনন্দ-খুশিতে রাখার মতো পরিকাঠামো রয়েছে বলে সমীক্ষায় অংশ নেওয়া মহিলারা জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, পাটনা ও জয়পুরের মহিলারা দুর্বল সরকারি ব্যবস্থা, দায়িত্ববোধে অভাব, পিতৃতান্ত্রিক মনোভাব এবং শহুরে পরিকাঠামোর অভাবকে তুলে ধরেছেন। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ১০ জনের মধ্যে ৬ জন মহিলা মেনে নিয়েছেন যে, তাঁরা তাঁদের শহরে নিরাপদবোধ করেন। অন্যদিকে, ৪০ শতাংশ মহিলার ধারণা তাঁরা নিরাপত্তার অভাববোধ করছেন। বিশেষ সমীক্ষায় ধরা পড়েছে দিন ও রাতের মধ্যেও মতামতের পার্থক্য রয়েছে।

অধিকাংশ মহিলাই রাতের নিরাপত্তা নিয়ে ভিন্নমত পোষণ করেন। বিশেষ করে বাসে-ট্রেনে রাতে যাতায়াতের ক্ষেত্রে এবং বিনোদনমূলক জায়গায় নিরাপত্তার অভাব বোধ করেন তাঁরা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে ৮৬ শতাংশ মেয়েরাই নিরাপদ বোধ করেন দিনের বেলায়। কিন্তু, রাত প্রসঙ্গেই এই মনোভাব পুরোপুরি উল্টে যায় যেমন স্কুল-কলেজ হস্টেলের বাইরে থাকতে।

কর্মক্ষেত্রে ৯১ শতাংশ নিরাপদ বোধ করলেও তাঁদের অর্ধেকই জানেন না যে, সেখানে যৌন হেনস্তা প্রতিরোধ সম্পর্কিত নীতি আছে কিনা। এমনকী যেখানে তা আছে, তা আদৌ কার্যকরী কিনা। চারভাগের মধ্যে একভাগ মহিলা বিশ্বাস করেন যে, নিরাপত্তা সংক্রান্ত অভিযোগের বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষ সদর্থক ব্যবস্থা নেবে। ৭ শতাংশ মহিলা স্বীকার করে নিয়েছেন যে, ২০২৪ সালে তাঁরা প্রকাশ্যে যৌন হেনস্তার শিকার হয়েছেন। অপদস্থ হয়েছেন। এই সংখ্যাটিই দ্বিগুণ যাঁদের বয়স ২৪-এর নীচে।

যৌন হেনস্তার জায়গাগুলি হল পাড়া-প্রতিবেশীদের মধ্যে (৩৮ শতাংশ) ও ট্রেনে-বাসে (২৯ শতাংশ)। যদিও তিনজনের মধ্যে একজন পুলিশে অভিযোগ জানাতে এগিয়ে এসেছেন। এর ফলে ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোতে এসব ঘটনার কোনও তথ্যই থাকে না। এদিন রিপোর্টটি প্রকাশ করে জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন বিজয়া রাহতকর বলেন, একজন মেয়ের জন্য নিরাপত্তা শুধু আইনশৃঙ্খলার প্রশ্ন নয়। একজন মেয়ের জীবনের বিভিন্ন দিক রয়েছে এতে। মহিলাদের শিক্ষা, ভবিষ্যৎ, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থানের সুযোগ এবং স্বাধীনভাবে ঘোরাফেরাও নিরাপদবোধের অন্তর্ভুক্ত।


```